
৩৩ বছর হোটেলে কাজ করা সাবুল এখন শয্যাশায়ী, উন্নত চিকিৎসায় সহায়তার আকুতি
দিনাজপুরের দশমাইল এলাকার পরিচিত মুখ শাহ আলম ওরফে সাবুল। দীর্ঘ প্রায় ৩৩ বছর ঐতিহ্যবাহী বাহারুল হোটেলে সিনিয়র ওয়েটার হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। বিভিন্ন জেলা ও এলাকার মানুষের কাছে পরিচিত এই মানুষটি গত দুই বছর ধরে অসুস্থতার কারণে হোটেলে কাজ করতে পারছেন না। বর্তমানে নিজ বাড়িতে শয্যাশায়ী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি।
সাবুলের বাড়ি দিনাজপুর সদর উপজেলার রামডুবিহাটের দক্ষিণ দিকে কালিকাপুর মণ্ডলপাড়ায়। দীর্ঘদিন হোটেলে কাজ করার সুবাদে দশমাইলসহ আশপাশের এলাকার মানুষের সঙ্গে তার গড়ে ওঠে পরিচিতি ও সুসম্পর্ক।
২২ আগস্ট শনিবার স্থানীয় মানবিক শিক্ষক মোনায়েম খান অসুস্থ সাবুলের খোঁজ নিতে তার বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি সাবুলকে বিছানায় অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান এবং তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, সাবুল বর্তমানে ডায়াবেটিস, কিডনি ও হৃদরোগসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তিনি এখন প্রায় শয্যাশায়ী। কথা বলতেও তার কষ্ট হয়। এমনকি তরল খাবার ছাড়া অন্য কোনো শক্ত খাবার খেতে পারেন না।
পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালিয়ে গেলেও অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় ও উন্নত চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না। সাবুলের চিকিৎসার জন্য বড় অঙ্কের আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাবুল ছিলেন অত্যন্ত হাসিখুশি ও মানবিক মানুষ। সবার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলা এবং ভালো আচরণ করাই ছিল তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। দীর্ঘ ৩৩ বছর হোটেলে কাজ করে তিনি অনেক মানুষের সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন। বর্তমানে তার এমন অসুস্থতার খবর শুনে স্থানীয়দের মধ্যে দুঃখের সৃষ্টি হয়েছে।
সাবুলের পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন দশমাইলের বাহারুল হোটেলে কাজ করলেও বর্তমানে
Leave a Reply