1. admin@durnitirtalashteam.com : durnitirtalashteam :
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
August 24, 2026, 6:54 pm

দশমিনায় সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে পরীক্ষার ফি আদায়ের অভিযোগ, তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিক লাঞ্ছিত

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, August 23, 2026
  • 21 Time View

দশমিনায় সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে পরীক্ষার ফি আদায়ের অভিযোগ, তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিক লাঞ্ছিত

এইচ.এম.নুরনবী, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দশমিনায় সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষার ফি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে ১২ নম্বর দশমিনা সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে পরীক্ষার ফি আদায়ের সময় ‘স্কাউট ফি’র বিষয়টি উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।

রোববার (২৩ আগস্ট) দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব অভিযোগের তথ্য পাওয়া যায়।

অভিযোগ রয়েছে, দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষা উপলক্ষে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত হারে ফি আদায় করা হচ্ছে। এরমধ্যে ১ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের থেকে ২০,দ্বিতীয় শ্রেণির ৩০,তৃতীয়,চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের থেকে ৫০ টাকা হারে আদায় করা হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫৫৭ জন।
এ সময় ফি নেওয়ার কারণ হিসেবে ‘স্কাউট ফি’র বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মূল্যায়নসংক্রান্ত নির্দেশনা অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রান্তিক মূল্যায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে শিক্ষার্থী বা অভিভাবকদের কাছ থেকে কোনো ফি নেওয়ার নিয়ম নেই। প্রশ্নপত্র ফটোকপি, উত্তরপত্রসহ আনুষঙ্গিক ব্যয় বিদ্যালয়ের নির্ধারিত আনুষঙ্গিক খাত বা স্লিপ ফান্ড থেকে নির্বাহ করার কথা বলা হয়েছে।

এর আগে চলতি বছরের মে মাসেও দশমিনা উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষার নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি আদায়ের অভিযোগ উঠেছিল। ওই ঘটনায় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে বিদ্যালয়ের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিককে শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত এবং ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে ধারণ করা তথ্য মুছে ফেলার অভিযোগও উঠেছে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। দৈনিক গণকন্ঠের স্থানীয় সাংবাদিক মো. সবুজ হোসাইন ওই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের হামলার শিকার হন। ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের সময় তাঁর ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়া হয় এবং ক্যামেরায় থাকা তথ্য ডিলেট করে দেওয়া হয়। পরে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।

অভিযোগের বিষয় বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মেরি সুলতানা বুলু বলে, পরীক্ষার জন্য কোনো ফি নেয়া হয়নি। ২০১৯ সালের স্কাউটের ফি নেয়া হয়েছে।

এ বিষয় ইউএনও মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তারিখ,২৩/০৮/২৬:
এইচ.এম.নুর নবী, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।
মোবাইল,01777042194

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি