
নারী কেলেঙ্কারি নিয়ে রিপোর্ট করা সাংবাদিক মোরশেদ আলী মারুফ নিজেই নারি কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত।
এম.এ আরিফ চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টার: রংপুরের মিঠাপুকুর থানাধিন এলাকার মমিনপুর গ্রামের সাংবাদিক মোরশেদ আলী মারুফ (৫০) পিতা: মৃত আব্দুল ওয়াহেদ, মাতা: মোসলেমা খাতুন, মোরশেদ আলী খিলগা থানাধিন একলার তালতলা চৌধুরী পাড়ায়, পাপিয়া হোসেন সম্পা কে বিবাহ করেন, পাপিয়া বাবার নাম: মৃত শওকত হোসেন, মাতা: মৃত: মমেনা খাতুন, এই পাপিয়ার বাবা ২ টি বিয়ে করেন এবং শশুর বাড়িতে তিনি ৪ তলা বাড়ি করেন, একাধিক মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে, এই বাড়ির মালিক এখন ৯ জন এবং এই বাড়ি নিয়ে মামলা চলমান, মোরশেদ আলী মারুফ পাপিয়ার বাড়ির লোভে তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের আগে, মোরশেদ আলী মারুফ কে পাপিয়া বাবা বলে ডাকতেন, এদিকে পাপিয়া শুনেছে মোরশেদ আলী মারুফ অনেক বড় লোকের সন্তান, ৯০০ বিঘা জমির মালিক গাড়ি বাড়ি অঢেল সম্পত্তি আছে, কিন্তু মোরশেদ আলী মারুফ এর কিছু নেই, চাপাবাজ, মিথ্যাবাদি, মোরশেদ আলী মারুফ এর তেমন ইনকাম ছিলো এদিকে বিয়ের পর পাপিয়ার ছিলো অতিরিক্ত টাকার চাহিদা, যার কারণে সংসারে অশান্তি লেগেই থাকতো, মোরশেদ আলী মারুফ কোনো উপায় খুঁজে না পেয়ে বিভিন্ন মেয়ের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে এবং তার মূল লক্ষ্য ছিলো বিয়ের প্রলোভনে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া, এমন এক ভুক্তভোগী আঁখি তার প্রতারণার শিকার, ২০২৪-২০২৬ ইং সাল পর্যন্ত তাকে স্ত্রী বলে পরিচয় দেন। তিনি তার থেকে অনেক টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়। ২০২৬ সালে এপ্রিল মাসে তাদের কাবিন করার কথা ছিলো। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে যার যথেষ্ট প্রমাণ গণমাধ্যম কর্মিদের হাতে এসেছে। মোরশেদ আলী মারুফ এর স্ত্রী বিষয় গুলো অন্য মেয়ের সাথে সম্পর্কের কথা জানতে পেরে আত্যহত্যা করবে বলে ভয় দেখায় গলার মধ্যে দড়ি দিয়ে, মোরশেদ আলী মারুফ কে। এর পর মোরশেদ আলী মারুফ শুরু করেন নতুন নাটক, এই নাটকের মধ্যেমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জুড়ে আঁখি নামে মিথ্যাচার করে তাকে সমাজের চোখে খারাপ প্রমাণ করার চেস্টা করেন, দীর্ঘ ৩ বছরের সম্পর্কে জড়িয়ে থেকেও এখন মারুফ বলছেন, আঁখি পঁচা বাসি খাবার তার সাথে নাকি মারুফের যায় না। এ বিষয়ে মোরশেদ আলী মারুফ এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
Leave a Reply