
বাবা ভ্যান চালান—এটাই কি ছিল তার অপরাধ?
মাত্র ৩ মাসের সংসার! তারপরই ভেঙে গেল সব স্বপ্ন। প্রচলিত বর্ণনা অনুযায়ী, বাবা একজন দরিদ্র ভ্যান ও রিকশাচালক হওয়ায় অপমান, নির্যাতন আর শেষ পর্যন্ত তালাকের মুখোমুখি হতে হয়েছিল জয়পুরহাটের শারমিন আক্তার সুমিকে।
কিন্তু ভাগ্যের কাছে হার মানেননি তিনি।
চোখের জল মুছে আবার বই হাতে তুলে নেন। সমাজের তিরস্কারকে শক্তিতে পরিণত করে দিন-রাত এক করে পড়াশোনা চালিয়ে যান। তাঁর একটাই লক্ষ্য ছিল—প্রমাণ করা, গরিবের সন্তান বলেই স্বপ্ন ছোট হয়ে যায় না।
অবশেষে সেই স্বপ্ন সত্যি হলো।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ৭৭.০৫ নম্বর পেয়ে সুযোগ পেলেন রংপুর মেডিকেল কলেজে। আজ যাঁকে একসময় অবহেলা করা হয়েছিল, তিনিই এখন একজন ভবিষ্যৎ চিকিৎসক।
শিক্ষা, আত্মবিশ্বাস আর পরিশ্রমের কাছে অপমান একদিন হার মানে—সুমির গল্প তারই প্রমাণ।
আল্লাহ তাঁর ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল করুন। আমিন।
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply