1. admin@durnitirtalashteam.com : durnitirtalashteam :
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
November 6, 2026, 4:02 pm

কাশিপুর ভূমি অফিসের নায়েব ইব্রাহিম খলিলের বিরুদ্ধে হয়রানি ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পাহাড়সম অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : Friday, November 6, 2026
  • 26 Time View

কাশিপুর ভূমি অফিসের নায়েব ইব্রাহিম খলিলের বিরুদ্ধে হয়রানি ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পাহাড়সম অভিযোগ

ব্যুরো চিফ:
নারায়ণগঞ্জের কাশিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব (ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা) ইব্রাহিম খলিলের বিরুদ্ধে সাধারণ সেবা প্রত্যাশীদের ফাইল আটকে রেখে হয়রানি, ঘুষ বাণিজ্য ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জমির নামজারি (মিউটেশন), দাখিলা (খাজনা কাটা) এবং মিসকেসের মতো সাধারণ কাজের জন্য এসে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তার এমন স্বেচ্ছাচারিতায় ক্ষুব্ধ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, কাশিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে প্রতিদিন শত শত মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে ভূমিসংক্রান্ত সেবার জন্য আসেন। কিন্তু নায়েব ইব্রাহিম খলিলের টেবিলে ফাইল গেলেই শুরু হয় নানা অজুহাত। কখনো কাগজের ত্রুটি, কখনো সার্ভারের সমস্যা, আবার কখনো ফাইলের ‘ভুল’ খোঁজার নামে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের দিনের পর দিন ঘোরানো হয়। একপর্যায়ে নির্দিষ্ট অঙ্কের মোটা অঙ্কের টাকা না দিলে ফাইল আর এগোয় না বলে অভিযোগ করেছেন অনেকেই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কাশিপুরের এক বাসিন্দা জানান, “আমি একটি নামজারির আবেদনের জন্য সব বৈধ কাগজপত্র জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু নায়েব সাহেব ফাইলের মধ্যে খামোখা খুঁত বের করে দেড় মাস ধরে আটকে রেখেছেন। পরে তার অফিসের এক দালালের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দেওয়ায় ফাইলটি বাতিলের ভয় দেখানো হচ্ছে।”

আরেক ভুক্তভোগী নারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “জমির খাজনা দিতে এসেও শান্তিতে কাজ করা যায় না। সরকারি ফি-র চেয়ে কয়েক গুণ বেশি টাকা দাবি করা হয়। না দিলে দিনের পর দিন ঘোরানো হয়। আমরা সাধারণ মানুষ এখানে এসে অসহায় হয়ে পড়ি।”

অনুসন্ধানে জানা যায়, ইব্রাহিম খলিল কাশিপুর ভূমি অফিসে যোগদানের পর থেকেই একটি নিজস্ব সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। অফিসের কতিপয় উমেদার ও বাইরের দালালের মাধ্যমে এই ঘুষের টাকা লেনদেন হয়। ফলে সরাসরি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ রাখা সাধারণ মানুষের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। তবে টাকা দিলে সব ত্রুটিপূর্ণ ফাইলও মুহূর্তের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিলের সাথে একাধিক বার ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে সাধারণ সেবাগ্রহীতারা এই হয়রানি ও ঘুষ বাণিজ্যের অবসান চেয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ভুক্তভোগীদের দাবি, তদন্তের মাধ্যমে এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে কাশিপুর ভূমি অফিসকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় হয়রানিমুক্ত সেবাকেন্দ্রে পরিণত করা হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি