1. admin@pratidindurnitirtalash.com : pratidindurnitirtalash : pratidindurnitirtalash
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন

সোহেল চৌধুরী হত্যা রায় নিয়ে মুখ খুললেন আজিজ মোহাম্মদ ভাই******

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১০ মে, ২০২৪
  • ১৯৫ Time View

সোহেল চৌধুরী হত্যা
রায় নিয়ে মুখ খুললেন আজিজ মোহাম্মদ ভাই******

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আজিজ মোহাম্মদ ভাই বলেন, ‘সোহেল চৌধুরী হত্যাকাণ্ডের সময় আমি দেশেই ছিলাম না। অথচ আমাকে জড়ানো হয়েছে। তাই বলব, রায়ে ন্যায়বিচার পাইনি। কখনও সুযোগ পেলে দেশে ফিরে সত্য প্রতিষ্ঠায় লড়ব।

সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া আজিজ মোহাম্মদ ভাই। ছবি: সংগৃহীত
সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া আজিজ মোহাম্মদ ভাই। ছবি: সংগৃহীত
আলোচিত চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার রায় নিয়ে মুখ খুলছেন এই মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া আজিজ মোহাম্মদ ভাই। ঘটনার সময় দেশে ছিলেন না দাবি করে বিদেশে অবস্থান করা এই ব্যবসায়ীর বলেছেন, তিনি ন্যায় বিচার পাননি। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার কথাও জানিয়েছেন।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার (৯ মে) ২৫ বছর আগের হত্যা মামলাটির রায় হয়। এতে আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও বাকি ৬ আসামিকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে আজিজ মোহাম্মদ ভাই বলেন, ‘সোহেল চৌধুরী হত্যাকাণ্ডের সময় আমি দেশেই ছিলাম না। অথচ আমাকে জড়ানো হয়েছে। তাই বলব, রায়ে ন্যায়বিচার পাইনি। কখনও সুযোগ পেলে দেশে ফিরে সত্য প্রতিষ্ঠায় লড়ব।’ আজিজ মোহাম্মদ আরও বলেন, ‘আপিলের সুযোগ থাকলে অবশ্যই করবো। কারণ, ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার সবার আছে।’
এই মুহূর্তে কোথায় আছেন জানতে চাইলে ওই সাক্ষাৎকারে আজিজ মোহাম্মদ বলেন, ‘পৃথিবীতে থাকার মতো অনেক জায়গা রয়েছে। ধরে নেন, পৃথিবীর কোনো এক কোণায় বা প্রান্তে আছি। তবে আকাশে নেই, এতটুকু বলতে পারি। আরেকটা কথা, আমি থাইল্যান্ডেও নেই। যেখানেই আছি, ভালো আছি। আমার পরিবারের সবাইও ভালো আছে। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

আজিজ মোহাম্মদ ছাড়াও সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার যারা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন তারা হলেন, ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম ও আদনান সিদ্দিকী। খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, তারেক সাঈদ মামুন, সেলিম খান, হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন ওরফে বস লিটন, ফারুক আব্বাসী, ও আশীষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী।

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীতে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় মামলা করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস আগে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরীর কথা-কাটাকাটি হয়। এর প্রতিশোধ নিতে সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়। ঘটনার রাতে সোহেল তার বন্ধুদের নিয়ে ট্রাম্পস ক্লাবে ঢোকার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। রাত আড়াইটার দিকে আবারও তিনি ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন সোহেলকে লক্ষ্য করে ইমন, মামুন, লিটন, ফারুক ও আদনান গুলি চালান।

মামলাটি তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর দুই বছর পর ২০০৩ সালে মামলাটির বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকার ২ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

ওই বছরই আসামি আদনান সিদ্দিকী হাইকোর্টে রিট করেন। এর প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুলসহ আদেশ দেন। পরে বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর তৎকালীন ডিভিশন বেঞ্চ শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট রায় দেন। রায়ে রুলটি খারিজ করে দেওয়া হয় এবং হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025

: :