
রবিন সরদারের কর্মী বিল্লালের অত্যাচার এলাকাবাসী অতিষ্ঠ
সাবেক যুবলীগ পরিচয়ে মাদকের কারবারীও ‘ফিটিং বাজি’র পুলিশের সোস পরিচয়ে ভয়ংকর খেলায় মেতেছে বিল্লাল এই বিল্লালের গ্রামের বাড়ি বউলা গ্রাম থানা ফুলপুর জেলা ময়মনসিং বর্তমান ঠিকানা পালের পাড়া বিল্লাল মার্কেটের সামনে রশিদের বাড়ির ভাটিয়া ওর বাবা হাসেম মোল্লা ওই এলাকায় সুদের ব্যবসা কেসিনো জুয়া খেলাদিয়ে এলাকাটা শেষ করে দিছে চাচতো ভাই রাজিব ইয়াবা ব্যবসা এবং পাইকারি বাজার বিক্রি করে। সারা রাতে বিল্লাল ছিনতাই ইয়াবা বিক্রি করেন সারাদিন এই কাজেই তাদের সবার এলাকাটাই নষ্ট করেছে
একসময় যুবলীগের দাপুটে কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এখন খোলস পাল্টে পুলিশের ‘সোর্স’ পরিচয়ে এলাকা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। গাজীপুর চৌরাস্তায় পালের পাড়া আক্তার মার্কেট ১৬ নং ওয়ার্ড এলাকায় গড়ে তুলেছেন মাদক ব্যবসা ও সাধারণ মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর এক ভয়ংকর সিন্ডিকেট। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ওই ব্যক্তি নিজেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঘনিষ্ঠ দাবি করে মাদক কারবার চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি করছেন ‘ফিটিং বাজি’ বা সাজানো মামলা দিয়ে হয়রানি। উল্লেখ থাকে যে এই বিল্লাল ও তার চাচাতো ভাই কে দিয়ে ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করেন এবং তার বাবা হাসেম মোল্লাকে দিয়ে পালেরপাড়া আক্তার মার্কেট এলাকায় মোবাইলে জুয়া কেসিনো সুদের ব্যবসা জম জমাট চালাচ্ছে দুইদিন একদিন পরপর পুলিশ নিয়ে এসে একজন সাধারণ লোককে ধরে ১০ হাজার ১৫ হাজার ২০ হাজার টাকা নিয়ে পুলিশকে কিছু দিয়ে আর কিছু টাকা সে নেয় তার পুরা ফ্যামিলি আওয়ামী লীগের দোসর আওয়ামী লীগ পরিবার তার বাবা এবং সবাই আওয়ামী লীগ সে যুবলীগ রবিন সরদারের একনিসট কমি হিসেবে পরিচিত এই সেই বিল্লাল ও হাসেম মোল্লা ও রাজিব
স্থানীয় ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আক্তার মার্কেট ও এর আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকের রমরমা ব্যবসা চলছে। যুবলীগের সাবেক পরিচয় এবং বর্তমানে পুলিশের সোর্স পরিচয়ের আড়ালে ওই ব্যক্তি একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছেন। তার ভয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে সাহস পান না।
অভিযোগের ভিত্তিতে যা জানা গেল:
মাদক ব্যবসা: প্রকাশ্যে ও গোপনে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য কেনাবেচা হচ্ছে তার নেতৃত্বে।
ফিটিং বাজি: কারো সাথে শত্রুতা হলে বা কাউকে ঘায়েল করতে চাইলে তিনি পুলিশের সোর্স পরিচয়ে ভুক্তভোগীর ওপর মাদক দিয়ে তাকে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এরপর মামলা থেকে বাঁচানোর প্রলোভন দেখিয়ে হাতিয়ে নেন মোটা অঙ্কের টাকা।
আতঙ্ক: তার কর্মকাণ্ডে পুরো এলাকায় এক ধরনের ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার উঠতি বয়সের যুবকদের তিনি মাদকের ভয়াল পথে নিয়ে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একাধিকবার প্রতিবাদ করেও কোনো লাভ হয়নি। উল্টো পুলিশের সোর্স পরিচয় দিয়ে তিনি উল্টো ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধেই মিথ্যা অভিযোগ করার ভয় দেখান। এলাকার পরিবেশ শান্ত রাখতে এবং মাদকের ভয়াবহ থাবা থেকে যুবসমাজকে বাঁচাতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে তার কর্মকাণ্ড তদন্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক। পুলিশ সোর্সের আড়ালে কোনো ব্যক্তি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া উচিত নয়।
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply