
হ*ত্যা মামলায় গোবিন্দগঞ্জের আলোচিত ভূমিদস্যু স্বপন কেন অবশ্যই গ্রে*ফ*তা*র হতে হবে
গ্রীল মিস্ত্রি জহুরুল প্রধানের স্ত্রী শিরিন বেগম মাত্র তিন জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করে। তিন জনের মধ্যে হুকুমদাতা হিসেবে নাম দেয়া হয় স্বপন শেখের। স্বপন এজাহারে তিন নাম্বার আসামি। মামলাটি একটি ফৌজদারি হত্যা মামলা। রাজনৈতিক বা হয়রানি মূলক মামলা নয়। সরাসরি টাটকা হত্যা মামলা। এজাহার মতে জহুরুলের সাথে আসামিদের পূর্ব শক্রতা ছিল না। সে নিহাত একজন অটো যাত্রী। যে মোটরসাইকেল কে হর্ণ দেয়া হচ্ছিল সেটি স্বপনের। ঘটনাস্থল সাপমারার কাটা মোড়। যে কাটা মোড়ের সর্বোচ্চ শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং ভূমিদস্যু স্বপন। কাটা মোড়ে স্বপনকে বিরক্ত করার সক্ষমতা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার অনেক বড় বড় নেতার নাই। সেখানে একজন অটো চালক স্বপনকে হর্ণ বাজিয়ে মোটরসাইকেল সাইড দিতে বলবে এটা স্বপনের পক্ষে মেনে নেওয়া কী সম্ভব!!! রাজনৈতিক লিয়োজো, অর্থের ভাগাভাগি কিংবা সন্ত্রাসী সংগঠন সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির আন্দোলনের ভয়ে স্বপন যদি গ্রেফতার না হয় সেটা হবে গোবিন্দগঞ্জের জন্য অশনিসংকেত। এতে উপজেলা বাসী আইনের প্রতি ও সরকারের প্রতি আস্থা কমে গিয়ে উগ্রতা ছড়াবে৷ তারা ধরেই নিবে শুধু রাজনৈতিক লিয়াজো, অর্থ কিংবা সংগঠনের সমর্থন থাকলে হত্যার সাথে যুক্ত থেকেও কিছু হয় না। গোবিন্দগঞ্জের জনসাধারণ চায় স্বপন সহ বাকি আসামি গ্রেফতার হয়ে আদালতে ন্যায়বিচার পাক। কিন্তু গোবিন্দগঞ্জ বাসী চায় না, বিচারের আগে স্বপন রাজনৈতিক লিয়াজো, অর্থের ব্যবহার বা অন্য কোন কারণে দায়মুক্তি পাক।
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply