1. admin@pratidindurnitirtalash.com : pratidindurnitirtalash : pratidindurnitirtalash
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন

সাদুল্লাপুরে নদীভাঙন রোধ প্রকল্প ঘিরে বিতর্ক, ভাঙনকবলিত এলাকার পাশেই বালু উত্তোলনের অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
  • ২৪ Time View

সাদুল্লাপুরে নদীভাঙন রোধ প্রকল্প ঘিরে বিতর্ক, ভাঙনকবলিত এলাকার পাশেই বালু উত্তোলনের অভিযোগ

রানা ইস্কান্দার রহমান।

 

‎গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।

 

‎গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের জয়েনপুর গ্রামে ঘাঘট নদীর ভাঙন রোধে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বাস্তবায়নাধীন জিওব্যাগ স্থাপন প্রকল্প ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন ও বিতর্ক দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নদীভাঙন রোধে জিওব্যাগ স্থাপনের কাজ চললেও ভাঙনকবলিত এলাকার পাশ থেকেই ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। পরে সেই বালু দিয়েই জিওব্যাগ ভরাট করে নদীতে ফেলা হচ্ছে।

‎স্থানীয়দের দাবি, একদিকে সরকারি অর্থ ব্যয়ে নদী রক্ষার কাজ পরিচালিত হচ্ছে, অন্যদিকে একই এলাকার নদীর তলদেশ থেকে বালু উত্তোলন করায় প্রকল্পের কার্যকারিতা ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, ভাঙনকবলিত এলাকার কাছ থেকে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে ভাঙনের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।

‎এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, প্রকল্পের কাজ চলাকালে ঘটনাস্থলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বা তদারককারীকে দেখা যায়নি। এতে প্রকল্পের মান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে তাদের দাবি।

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, যেখানে নদী ভাঙছে, ঠিক সেখানেই ড্রেজার বসিয়ে বালু তোলা হচ্ছে। পরে সেই বালু দিয়েই জিওব্যাগ ভরাট করা হচ্ছে। এতে উপকারের চেয়ে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি।

‎স্থানীয়দের দাবি, ভাঙনকবলিত এলাকার পাশ থেকে বালু উত্তোলনের যৌক্তিকতা, অনুমোদন ও কারিগরি ভিত্তি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় এনে তদন্তের ফলাফল প্রকাশের দাবি জানান তারা।

‎এ বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী জুয়েল কাজের স্থানে কোনো কর্মকর্তা না থাকার বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করে বলেন, ঠিকাদারের মোবাইল নম্বর দিচ্ছি, আপনার সঙ্গে ঠিকাদার কথা বলবেন।

‎পরে প্রকল্পের ঠিকাদার মুক্তার বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনুমতি নিয়েই বালু উত্তোলনের কাজ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে অফিসে যোগাযোগ করে বিষয়টি যাচাই করতে পারেন।

‎তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে পানি উন্নয়ন বোর্ড, গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025

: :