1. admin@pratidindurnitirtalash.com : pratidindurnitirtalash : pratidindurnitirtalash
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন

গাইবান্ধার পাম্পগুলোয় তেল নেই, বাজারে পেট্রোল ৩০০ টাকা!

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • ২৯ Time View

গাইবান্ধার পাম্পগুলোয় তেল নেই, বাজারে পেট্রোল ৩০০ টাকা!

 

রানা ইস্কান্দার রহমান।

 

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।

প্রায় তিন সপ্তাহ যাবত গাইবান্ধা জেলায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে তীব্র জ্বালানি সংকট বিরাজ করছে। প্রতিদিন তেলের সন্ধানে এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে ছুটছেন ক্রেতারা। কোথাও সীমিত পরিমাণ সরবরাহ এলেও দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তা পাচ্ছেন না অনেকে। ফলে অনেকেই ব্যর্থ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

অন্য দিকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের অভাব থাকলেও স্থানীয় হাট-বাজারে প্রকাশ্যেই অতিরিক্ত দামে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি হচ্ছে। এই বৈপরীত্যে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে কৃষক ও মোটরসাইকেল চালকরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার অধিকাংশ পাম্পে ‘তেল নেই’ লেখা নোটিশ ঝুলছে। কোথাও অল্প পরিমাণ সরবরাহ এলেও তা দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেক যানবাহন তেল নিতে পারছে না। এ নিয়ে কোথাও কোথাও উত্তেজনা ও বাকবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটছে।

জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে পেট্রোলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। দারিয়াপুর হাটে প্রতি লিটার ২৭০ টাকা, রুপার বাজারে বাজারে ৩০০ টাকা, ঢোলভাঙ্গায় ২৯০ টাকা, কুপলতা  ইউনিয়নের বেড়াডাঙ্গায় বাজারে ২৫০ টাকা, ফুলছড়ি  বাজারে ৩০০ টাকা,  কামারজানী হাটে ৩০০ টাকা, লক্ষীপুর বাজারে ২৮০  টাকায় তেল বিক্রি হচ্ছে।

অথচ সরকার নির্ধারিত দামে পেট্রোল প্রতি লিটার ১১৬ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকা হওয়ার কথা।

গত বৃহস্পতিবার রাতে গাইবান্ধা  শহরের একটি ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে লাইনে দাঁড়ানো গ্রাহকদের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। অভিযোগ  আছে অনেক পাম্পে মজুত থাকা সত্ত্বেও গ্রাহকদের তেল না দিয়ে গড়িমসি করা হচ্ছে।

মোটরসাইকেল চালক আসাদুজ্জামান  বলেন, পাম্পে তেল না থাকলেও আশপাশেই বোতলে করে বেশি দামে সেই তেল বিক্রি হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। তার মতে, একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট পরিকল্পিতভাবে পাম্পে সরবরাহ সীমিত রেখে বাইরে বেশি দামে তেল বিক্রি করছে।

কৃষক আব্দুর রশিদ বলেন, সেচ মৌসুমে ডিজেলের অভাবে জমিতে পানি দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাওয়া যাচ্ছে না, আবার বাজারে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে—যা তাদের জন্য বড় চাপ তৈরি করেছে।

আরেক ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলাম সোহেল বলেন, সরকার নির্ধারিত দাম কাগজে থাকলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন নেই। পাম্পে তেল না থাকায় সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025

: :