1. admin@durnitirtalashteam.com : durnitirtalashteam :
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
October 19, 2026, 10:15 pm

আওয়ামিলীগ দোষর বাবু সুভাষ চন্দ্র শাহ এখনো প্রকাশ্বে! প্রশাসন নিশ্চুপ!

Reporter Name
  • Update Time : Monday, October 19, 2026
  • 40 Time View

আওয়ামিলীগ দোষর বাবু সুভাষ চন্দ্র শাহ এখনো প্রকাশ্বে! প্রশাসন নিশ্চুপ!

ব্যুরো চিফ:
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আনন্দলনে হামলাকারী আওয়ামী লীগের দোষর বুবু সুভাষ চন্দ্র শাহ এখনো নিজ এলাকাতেই প্রকাশ্বে ঘুরে বেড়ান! আইনশৃংখলা বাহিনী নিরব।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতা থাকা কালীন এই বাবু সুভাষ চন্দ্র শাহ নানা অপকর্মের সাথে জড়িত ছিলেন, তখন তাকে থামানো মতো কেও ছিলোনা। তার ভয়ে সাধারণ মানুষ আতংকে জীবন কাটাতেন। আওয়ামী লীগ থাকা কালীন তার অপকর্মের বিরুদ্ধে এখনন টিভিতে একটি নিউজ প্রকাশিত হয়, সেখানে একটি মহিলার বাড়িতে আগুন লাগানো ঘটনায় তার নামে মামলা দায়ের করা হয়। ভুক্তভোগী নিজে থানা গিয়ে তার নামে মামলা দায়ের করেন।

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সামেলা বেগম নামে এক হতদরিদ্রের বসতঘর পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে সুভাষ সাহা (৬৮) নামে আওয়ামী লীগের এক নেতার নামে থানায় মামলা হয়েছে। তিনি উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের সাতৈর বাজার সংলগ্ন বড়নগর গ্রামের বাসিন্দা ও বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য।

(মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল-২০২৫) বিকেলে বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের শেলাহাটি গ্রামের দিনমজুর সামেলা বেগম (৪৫) বাদি হয়ে স্থানীয় থানায় মামলাটি দায়ের করেন তখন।

এর আগে শনিবার (৫ এপ্রিল-২০২৫) দিবাগত রাতে তার বসতঘরটি আগুনে পুড়ে যায়। মামলায় সুভাষ সাহা (৬৮) ছাড়াও তার ম্যানেজার গোবিন্দ্রের (৫৫) নাম উল্লেখ করে আরো ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। মামলার বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন বোয়ালমারী থানার ওসি মো. মাহমুদুল হাসান।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী সামেলা বেগম (৪৫) জেলার বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি স্বামী-সন্তান নিয়ে দীর্ঘ ২৫ বছর শেলাহাটি গ্রামের রেলওয়ের একটি জমিতে টিনের একটি ছাপড়া ঘর তুলে বসবাস করে আসছিলেন। পাশেই আওয়ামী লীগ নেতা সুভাষ সাহার নিজস্ব জমি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি রয়েছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, হতদরিদ্র সামেলা বেগম যেখানে বসত করেন সেই জমিটি পাওয়ার জন্য সুভাষ সাহা মরিয়া হয়ে উঠেছেন। বেশ কিছুদিন ধরে সুভাষ সাহা ও তার লোকজন বিভিন্ন সময় বসতবাড়ি ভেঙে দেওয়ার হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিলেন।

শনিবার-২০২৫ রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকার সুবাদে তার বসতঘরটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় সোমবার (৭ এপ্রিল) হতদরিদ্র সামেলা বেগম বাদি হয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য সুভাষ সাহা (৬৮) ও তার ম্যানেজার গোবিন্দ্রের (৫৫) নাম উল্লেখ করে আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বোয়ালমারী থানায় লিখিত অভিযোগ করলে মঙ্গলবার বিকেলে থানায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়। মামলা নম্বর-১৩।

সরেজমিনে জানা যায়, বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের শেলাহাটি গ্রামে ঘোষপুর মৌজায় আওয়ামী লীগ নেতা সুবাষ সাহার নিজস্ব ও পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে লিজ নেয়া জমি রয়েছে। সেই জমির দক্ষিণ পাশের চন্দনা-বারাশিয়া নদের পাড়ে সুবাষ সাহার কাছ থেকে কিনে ছয় থেকে সাতটি পরিবার ঘর তুলে বসবাস করছে। আর উত্তরে রেলওয়ের জায়গায় সামেলা বেগমসহ তিনটি পরিবার বসবাস করেন। সবমিলে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও রেলওয়ের জমিতে ভূমিহীনসহ ২৯ থেকে ৩৫টি পরিবার বসবাস করছে ওই এলাকায়।

ভুক্তভোগী সামেলা বেগম মামলা হওয়ার আগে বলেন, ‘আমি তো বাড়ি দুইদিন যাবত রান্না করি না, তাহলে আগুন লাগবে কীভাবে? তারা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সুবাষ সাহার জায়গার সামনে আমরা রেলের জায়গা থাকি। আমি একটি ব্যাংকে পাহারা দেয়ার কাজ করার জন্য বাড়ি থেকে চলে আসি। রাতে মানুষের মাধ্যমে জানতে পারি আমার বাড়ি আগুন লেগেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঈদের সময় মানুষের কাছ থেকে আনা যাকাতের টাকা, মানুষের কাছ থেকে চেয়ে আনা চাল সব পুড়ে গেছে। আগুনে ঘরে থাকা যাবতীয় জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। এখন আমি সব হারিয়ে পথে বসে গেলাম।’

রেলের জায়গায় বসবাসকারী সামেলা বেগমের মেয়ে সেলিনা বেগম বলেন, ‘সুভাষ সাহার লোকজন বিভিন্ন সময় এসে বসত বাড়ি ভেঙে নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিল। তারা জায়গা খালি করার জন্য চাপ দিচ্ছিল। হঠাৎ আগুনে আমাদের ঘর পুড়ে গেছে।’

একই গ্রামের বাসিন্দা পাশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় বসবাসকারী হাবিল বিশ্বাস বলেন, ‘সুভাষ সাহার লোকজন বিভিন্ন সময় তার ঘর বাড়ি ভেঙে নেওয়ার হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল।’

এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য সুভাষ সাহা মামলা রেকর্ডের আগে বলেছিলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত জায়গার সামনে আমার লিজ নেয়া রেলের জায়গায় ওই মহিলা থাকে। তিনি স্থানীয় জিয়া মেম্বারের ভাইয়ের স্ত্রী। ওই মেম্বারের মাধ্যমে কিছু টাকা দিয়ে আমি তাকে (সামেলা বেগম) ঘর করার জন্য সহযোগিতা করেছিলাম। তিনি সেখানে ঘর উঠিয়ে বসবাস করছেন।’

দিনমজুর সামেলা বেগমের বাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে সুবাষ সাহা বলেন, ‘আমি টাকা দিয়ে তাকে সহযোগিতা করলাম, তাহলে আমি ঘর পুড়াবো কেন? কিছু লোকজন ঘর পুড়িয়ে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য।’

তিনি আওয়ামী লীগ থেকে গত কয়েক বছর আগে পদত্যাগ করেছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান। তবে পদত্যাগের কোন দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি বা গণমাধ্যমের কাছেও এবিষয়ে কোনো তথ্য নেই।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হত্যা ও হামলার মামলাগুলোতে অনেক আওয়ামী লীগ নেতা পলাতক বা দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন, আবার অনেকের বিরুদ্ধে করা মামলা নিয়েও নানা ধরনের জটিলতা ও আলোচনা চলছে এরইমধ্যে বাবু সুবাস চন্দ্র শাহর নামটিও রয়েছে, তবে প্রশাসকে বুড়ো আংগুল দেখিয়ে প্রকাশ্বে নিজ বাড়িতেই ঘুরে বেড়ান তিনি।

সোমবার বৈষম্য বিরোধী মালার আসামী বাবু সুভাষ চন্দ্র শাহ বিষয়ে মোস্তাফিজুর রহমান অফিসার ইন-চার্জ, বোয়ালমারী থানা,তার মুঠো ফনে একাধিক বার কল করা হলেও মেলেনি কোনো উওর।

এবিষয়ে শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী( পুলিশ সুপার ফরিদপুর ), তার সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন,ছাত্র জনতার উপর হামলা কারী আওয়ামী লীগের দোষর যারা আছেন তাদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি