1. admin@durnitirtalashteam.com : durnitirtalashteam :
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
September 8, 2026, 10:01 am

গাইবান্ধায় ধর্ষণ ও নির্যাতনের মামলার পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

Reporter Name
  • Update Time : Monday, September 7, 2026
  • 29 Time View

গাইবান্ধায় ধর্ষণ ও নির্যাতনের মামলার পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

রানা ইস্কান্দার রহমান।

 

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।

 

‎আইনের হাত থেকে বাঁচতে গাইবান্ধা ছেড়ে নারায়ণগঞ্জে আত্মগোপনে গিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি। ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার পাশাপাশি হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করে গুরুতর জখম করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার পলাতক আসামি মো. মিজানুর রহমান শেখ (২৭) অবশেষে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। গত রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার পঞ্চবটি মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎মামলার এজাহার ও আদালতের নথি সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সময় ভুক্তভোগী নারীকে শিবপুর গ্রামের আসামি মিজানুর রহমান শেখের নিজ বসতবাড়ির থাকার ঘরে নিয়ে ধর্ষণ ও ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী বাধা দিলে তাকে মারধর করা হয়। হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করে তাকে সাধারণ ও গুরুতর জখম করার অভিযোগও করা হয়েছে।

‎ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী মোছা. আরজিনা বেগম ন্যায়বিচার চেয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১, গাইবান্ধায় নালিশি দরখাস্ত করেন। আদালত অভিযোগ ও দাখিল করা কাগজপত্র পর্যালোচনা করে অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেন। পরে আদালতের নির্দেশে গাইবান্ধা সদর থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়।

‎মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(১)/৯(৪)(খ) ধারাসহ দণ্ডবিধির ৩০৭, ৩২৩ ও ৩২৫ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এজাহারে ধর্ষণ ও হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।

‎মামলা দায়েরের পর গ্রেপ্তার এড়াতে মিজানুর রহমান গাইবান্ধা ছেড়ে নারায়ণগঞ্জে আত্মগোপনে চলে যান বলে মামলার সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এক পর্যায়ে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জে তার অবস্থান শনাক্ত করে র‍্যাব। পরে ফতুল্লার পঞ্চবটি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

‎আদালতের নির্দেশে গাইবান্ধা সদর থানার সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) আশাদুল ইসলাম মামলাটির তদন্ত করছেন। তদন্তে ঘটনার প্রকৃত কারণ, অভিযোগের সত্যতা, ভুক্তভোগীর ওপর নির্যাতনের ধরন এবং মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

‎এজাহারে সাক্ষী হিসেবে মো. আজিম শেখ, মো. ফেরদৌস, মো. শাহীন ইসলাম, মো. আব্দুস ছামাদ, মো. হোসাইন শেখ, মো. তাজুল ইসলাম ও মো. ফরিদুল ইসলামসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের ঠিকানা হিসেবে গাইবান্ধা সদর উপজেলার শিবপুর ও ভাজিনার খামার এলাকার কথা উল্লেখ রয়েছে।

‎অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

‎তবে মামলায় আনা অভিযোগ এখনো বিচারিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি