
পলাশবাড়ীতে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বসতবাড়ি ও দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বরশি দিয়ে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দলবলসহ প্রতিপক্ষের বসতবাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর লুটের অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের বাসুদেবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের বাসুদেবপুর গ্রামের বাজার এলাকার মোস্তাফিজার রহমানের ছেলে ব্যবসায়ী শামীম মিয়ার (৩৫) সাথে পাশ্ববর্তী প্রতিবেশী ফরিজালের (৭০) বরশি দিয়ে মাছ ধরা নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা ধাক্কাধাক্কিতে রূপ নিলে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
অভিযোগ রয়েছে, এর জের ধরে ঘটনার প্রায় ঘণ্টাখানেক পর ফরিজাল, তার ছেলে আরিফ (৪০), জামাতা জিল্লু এবং নাতি মেহেদী (২০)-এর নেতৃত্বে একদল লোক শামীম মিয়ার ওপর আকস্মিক চড়াও হয়। পরবর্তীতে তারা শামীম মিয়ার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়িতে গিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলে যায়।
এ ঘটনায় ব্যবসায়ী শামীম মিয়াসহ তার ফুফু কাপাসি বেগম (৭০), স্ত্রী বিথি বেগম (২৮), ভাতিজা লিটন (২৫) এবং পার্শ্ববর্তী সাবদিন গ্রামের বাসিন্দা রাজা মিয়া (৬০) আঘাতপ্রাপ্ত হন।
এঘটনায় শামিম মিয়া ও তার স্ত্রী বিথি বেগম পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন।
ভুক্তভোগী শামীম মিয়া জানান, দুপুরে বাড়ির পাশে নিজস্ব পুকুর সংলগ্ন স্থানে মাছ ধরতে গেলে প্রতিবেশী ফরিজাল ক্ষিপ্ত হয়ে তার বরশি ভেঙে ফেলেন এবং বাদানুবাদে জড়ান। পরবর্তীতে একদল লোক এসে তার মনোহরি দোকান ও বসতঘরে ভাঙচুর চালায়। এ সময় ঘরের আলমারি, ড্রেসিং টেবিল, ওয়ারড্রপসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং স্বর্নের চেইন, দুটি বালা সহ দোকানের মালামাল খোয়া যায়। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি জানান।
উক্ত ঘটনার বিষয়ে ফরিজালের পরিবারের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।
ঘটনায় সুবিচার চেয়ে পলাশবাড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয়রা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের আইনগত প্রক্রিয়ায় বিচার দাবি করেছেন।
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply