1. admin@pratidindurnitirtalash.com : pratidindurnitirtalash : pratidindurnitirtalash
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন

উখিয়ায় ২০ হাজার ইয়াবা গায়েবের অভিযোগ, দুই রোহিঙ্গাকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
  • ৪৩ Time View

উখিয়ায় ২০ হাজার ইয়াবা গায়েবের অভিযোগ, দুই রোহিঙ্গাকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক | কক্সবাজার-বান্দরবান টাইমস ২৪ নিউজ
কক্সবাজারের উখিয়ায় ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করে তা আত্মসাৎ এবং দুই রোহিঙ্গা মাদক কারবারিকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উখিয়া থানা পুলিশের এক এএসআইয়ের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঈদুল আজহার আগের দিন ২৭ মে ভোরে উখিয়ার রত্নাপালং ইউনিয়নের গয়ালমারা এলাকায় পুলিশের একটি দল অবস্থান নেয়। দলটির নেতৃত্বে ছিলেন উখিয়া থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) চম্পক বড়ুয়া। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আটক করে তল্লাশি চালিয়ে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
তবে অভিযোগ রয়েছে, উদ্ধার হওয়া ইয়াবার চালানটি জব্দ না করে এবং কোনো মামলা ছাড়াই দুই রোহিঙ্গা বহনকারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করেছে, ঘটনাটি পরবর্তীতে থানার রেকর্ডেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, ভোরে নামাজ শেষে এলাকায় হাঁটার সময় তিনি পুলিশের হেফাজতে দুই ব্যক্তিকে দেখতে পান এবং পরে জানতে পারেন তাদের কাছে ইয়াবা ছিল।
অভিযানে উপস্থিত এক কনস্টেবল নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “চম্পক স্যারের সঙ্গে আমরা ছিলাম, যা করেছেন উনিই করেছেন।”
অভিযোগ রয়েছে, উদ্ধার হওয়া ইয়াবা পরবর্তীতে বিপুল অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কোনো স্বাধীন সূত্র থেকে সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, “এ ধরনের কোনো অভিযান আমার নির্দেশনায় হয়নি। যদি অভিযান হয়ে থাকে, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতো। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।”
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে এএসআই চম্পক বড়ুয়া বলেন, “এই ওসির আমলে আমি কোনো অভিযান করিনি। খবর নিয়ে দেখতে পারেন।”
কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. অহিদুর রহমান জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হবে। তিনি বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উল্লেখ্য, অভিযোগগুলো এখনো তদন্তাধীন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আনুষ্ঠানিক প্রমাণ ছাড়া অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025

: :