
সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ার কারণে রাসেল ভাইপার সাপ যশোরে আসার সম্ভাবনা খুব বেশি। তাছাড়া আশেপাশে অনেক জেলায় ইতিমধ্যে এসে গেছে হয়তো একটু সাবধানে থাকবেন। কারন বন্যার সময় এগুলা ঘরের ভিতরেও ডুকতে পারে,,,
রাসেল ভাইপারঃ
এই সাপের বিশেষত্ব হচ্ছে, এরা খুবই বিষধর। কাউকে ছোবল দিলে এন্টিভেনম দিলেও বাঁচার সম্ভাবনা মাত্র ২০%। তাছাড়া রাসেল ভাইপারের এন্টিভেনম বাংলাদেশে নাই । আর এই দেশের জলবায়ুর প্রকৃতিতে এদের কোন অবদান নাই।
আরও ভয়ংকর ব্যাপার হল অন্যান্য সাপ সাধারণত নিজেরা আক্রান্ত হলে কিংবা সরাসরি কারও সামনে পড়লে ছোবল দেয় অন্যথায় কামড় দিতে আসে না বরং পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু রাসেল ভাইপার দূরে থেকে মানুষ দেখলেও তেড়ে আসে আর কামড় দেওয়ার চেষ্টা করে।
অন্য সাপ ১ রকম বিষ ধারন করলেও,,রাসেল ভাইপারের বিষ একই সাথে ৫/৬ ধরনের হয়।
এই সাপ খুবই দ্রুত বংশ বিস্তার করে
এরা সরাসরি —৫০ থেকে ৮০ টি পর্যন্ত বাচ্চা দিতে পারে।
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যা এই দোয়া তিনবার পড়বে, আল্লাহ তাআলা তাকে সমস্ত প্রাণী, বিশেষ করে সাপ, বিচ্ছু প্রভৃতি বিষাক্ত ও কষ্টদায়ক প্রাণীর অনিষ্ট থেকে রক্ষা করবেন।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৩৬০৪)
দোয়াটি হলো (আরবি) :
أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّةِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ
উচ্চারণ : আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খলাক।
অর্থ : আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কলেমার দ্বারা প্রত্যেক শয়তান, বিষাক্ত প্রাণী এবং প্রত্যেক কুদৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাইছি।
জনসাধারণের উপকারের জন্য শেয়ার করতে পারেন।
Highlights
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply