1. admin@pratidindurnitirtalash.com : pratidindurnitirtalash : pratidindurnitirtalash
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন

দুই বছর কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ। তদন্তে একাধিক অনিয়মের প্রমাণের কথা উল্লেখ।

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
  • ২২ Time View

দুই বছর কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ। তদন্তে একাধিক অনিয়মের প্রমাণের কথা উল্লেখ। তদন্ত কমিটির সুপারিশ ছিল বেতন-ভাতা স্থগিত রাখা এবং তাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব না দেওয়ার। অথচ শেষ পর্যন্ত সেই শিক্ষকই পেলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব।

ভোলার লালমোহন সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু তৈয়বকে ঘিরে এমন ঘটনাই এখন তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দীর্ঘ সময় তিনি বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না, কিন্তু সরকারি বেতন-ভাতা তুলেছেন নিয়মিত। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের ২১৫টি দোকান বরাদ্দে কোটি কোটি টাকা অনিয়ম, বিদ্যালয়ের জমি বিক্রি এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে। তদন্ত কমিটি এসব অভিযোগের একাধিকটির সত্যতা পেয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্ত শেষে কমিটি সুপারিশ করে, আবু তৈয়বকে যেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক করা না হয় এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কিন্তু সেই সুপারিশ বাস্তবায়নের পরিবর্তে গত ১৭ জুন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের এক আদেশে তাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব ও আর্থিক ক্ষমতা দেওয়া হয়। এরপর প্রায় দুই বছর পর তিনি প্রকাশ্যে এসে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের প্রশ্ন, তদন্তে অনিয়মের তথ্য উঠে আসার পরও কীভাবে একই ব্যক্তিকে প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক দায়িত্ব দেওয়া হলো?

অন্যদিকে আবু তৈয়ব সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, তদন্তের সময় তাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি এবং অভিযোগের সময় তিনি আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা ছিলেন না। তিনি আরও বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করেই তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং তিনি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরও নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের বক্তব্য হলো, সরকারি চাকরিজীবীর বিরুদ্ধে চূড়ান্তভাবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে দায়িত্ব থেকে সরানো যায় না। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযোগনামা হবে, এরপর অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে বেতন গ্রহণের অভিযোগ সত্য হলে সেই অর্থও ফেরত দিতে হবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর। তথ্যসূত্র কালবেলা⁠।

এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, তদন্ত কমিটির সুপারিশ উপেক্ষা করে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত কি প্রশাসনিকভাবে সঠিক ছিল, নাকি এটি জবাবদিহিতার ব্যবস্থাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলছে?

#corruptgovernment #Corruption

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025

: :