1. admin@pratidindurnitirtalash.com : pratidindurnitirtalash : pratidindurnitirtalash
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন

আদালতে সাক্ষ্যদান ঠেকাতে প্রাণনাশের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় জিডি ‎

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬
  • ৪৮ Time View

আদালতে সাক্ষ্যদান ঠেকাতে প্রাণনাশের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় জিডি

রানা ইস্কান্দার রহমান।

 

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।

 

‎গাইবান্ধায় হত্যা চেষ্টা ও নারী নির্যাতনের একটি মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে আদালতে সাক্ষ্যদান থেকে বিরত রাখতে প্রাণনাশের হুমকি, হাত-পা ভেঙে দেওয়ার ভয় দেখানো এবং মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় গত ২৫/০৬/২৬ তারিখে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন মামলার ১ নম্বর এজাহারভুক্ত সাক্ষী নুর মোহাম্মদ।

‎জিডির আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে গাইবান্ধা শহরের ভিএইড রোডের কালীবাড়ীপাড়া এলাকার বাসিন্দা সফুরা আক্তার সুরভী তার স্বামী হাসানুজ্জামান হাসুর ওপর সংঘটিত সশস্ত্র হামলা, হত্যা চেষ্টা, গুরুতর জখম, শ্লীলতাহানি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় নুর মোহাম্মদ প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে ১ নম্বর এজাহারভুক্ত সাক্ষী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন।

‎আবেদনে আরও বলা হয়, মামলার প্রধান আসামিসহ তিনজন পরোয়ানাভুক্ত আসামি আদালতে জামিন চাইলে বিজ্ঞ আদালত আসামি শ্যামলী বেগমের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান। পরে তিনি ১ দিন পর জামিনে মুক্তি পান। জামিনে মুক্তির পর থেকেই মামলার সাক্ষীদের আদালতে সাক্ষ্যদান থেকে বিরত রাখতে ধারাবাহিকভাবে ভয়ভীতি ও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

‎জিডির আবেদনে দাবি করা হয়, গত ২৫ জুন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শুভ মিয়া, সোহাগী বেগম, শ্যামলী বেগম ও চাঁন মিয়া ভুট্টু মামলার সাক্ষী নুর মোহাম্মদের বাড়ির সামনে এসে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। তিনি প্রতিবাদ করলে আদালতে সাক্ষ্য দিতে গেলে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এছাড়া মামলার বাদী ও অন্যান্য সাক্ষীদের মারধর এবং মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয় বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

‎নুর মোহাম্মদের দাবি, এসব হুমকির কারণে তিনি, তার পরিবার এবং মামলার অন্যান্য সাক্ষীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে,এমন আশঙ্কায় তিনি ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে থানায় জিডি করেছেন। জিডিতে ঘটনাটির কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর নামও উল্লেখ করা হয়েছে।

‎উল্লেখ্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করা হয়, হাসানুজ্জামান হাসুর ওপর ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠি দিয়ে হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। একই ঘটনায় তার স্ত্রী সফুরা আক্তার সুরভী শ্লীলতাহানির শিকার হন বলেও মামলায় উল্লেখ রয়েছে। ওই মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হওয়ায় নুর মোহাম্মদকে পরিকল্পিতভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে জিডির আবেদনে দাবি করা হয়েছে।

‎অভিযুক্তদের বক্তব্য

‎অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে বলা হয়, মামলাটি আমাদের পারিবারিক বিষয়। অভিযোগকারী ব্যক্তি আমাদের কেউ নন। তিনি কেন সাক্ষী দেবেন? তার কারণেই আমাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।

‎পুলিশের বক্তব্য

‎এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভিযোগটি তদন্ত করে আইনানুগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025

: :