
রংপুরে ঠিক এই জায়গায় পলাশবাড়ীতে একটা সুবিশাল রাম মুর্তি হচ্ছে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার উদ্বোধন করছে। একই জায়গায় আরেকটা সুবিশাল কৃষ্ণমুর্তি হইছে সেইটাও উদ্বোধন করছে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার। এই পলাশবাড়ীতেই গীতা মহোৎসব হইছে। এইখানেও আসছে ইন্ডিয়ান সহকারী হাই কমিশনার।
বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায় তাদের ধর্মাচার করবে খুবই আনন্দের কথা। কিন্তু ইন্ডিয়ান হাই কমিশনারকে ডাকতে হয় কেন? আমি ভাবলাম পলাশবাড়ীতে মনে হয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন বেশী। খোজ নিয়ে দেখলাম। পলাশবাড়ী উপজেলায় ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী হিন্দু জনসংখ্যা ১৫,৬৪০ জন। সেসময় উপজেলার মোট জনসংখ্যা ছিল ২,৪৪,৭৯২; মুসলিম ২,২৯,০৩০, হিন্দু ১৫,৬৪০, বৌদ্ধ ৪, খ্রিস্টান ৫৩ এবং অন্যান্য ৬৫। অর্থাৎ হিন্দু জনসংখ্যা ছিল মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬.৪%, আর মুসলিম ৯২.৪৮%। তার মানে সবচেয়ে কম হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা এইটা।
তবে স্ট্রাটেজিক লোকেশনটা দেখেন। আমাদের দেশের জন্য ভৌগোলিক ভাবে নাজুক একটা জায়গা। এতো বড় বড় স্থাপনা, মুর্তি করার অর্থায়ন কোথায় থেকে আসছে? আমাদের গোয়েন্দারা কি এই সংবেদনশীল নাজুক ভৌগোলিক জায়গায় একের পর এক সুবিশাল মুর্তি বসানোর বিষয়টা ক্রিটিক্যালি এনালাইজ কর্ছেন?
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply