
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদাজিয়া -এর মাজার জিয়ারত করলেন শিক্ষানুরাগী নেতা এসএম জহুরুল ইসলাম;
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার ৭ নং পবনাপুর ইউনিয়নের শিক্ষা, সমাজসেবা ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব, পবনাপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ এবং বিএনপির অঙ্গসংগঠনের জেলা পর্যায়ের নেতা এসএম জহুরুল ইসলাম সম্প্রতি রাজধানীতে অবস্থিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান -এর মাজার জিয়ারত করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদজিয়া -এর জন্যও বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।
মাজার জিয়ারতকালে এসএম জহুরুল ইসলাম গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদান স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি মরহুম রাষ্ট্রনায়কদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে বিশেষ মোনাজাত করেন।
দোয়া মাহফিলে তিনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশের সার্বিক শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করেন। পাশাপাশি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির নেতৃত্বদানের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
এ সময় তিনি বিশেষভাবে তার প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পবনাপুর মহিলা কলেজ-এর সার্বিক উন্নয়ন, পূর্ণাঙ্গ এমপিওভুক্তকরণ, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং কলেজের শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে দোয়া করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, অদূর ভবিষ্যতে পবনাপুর মহিলা কলেজ গাইবান্ধা জেলার অন্যান্য স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছাবে এবং শিক্ষাক্ষেত্রে একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করবে।
এসএম জহুরুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষা হচ্ছে একটি জাতির উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি। আমাদের পবনাপুর মহিলা কলেজকে এমন একটি প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে চাই, যেখানে এলাকার মেয়েরা আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণ করে দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। এজন্য সকলের সহযোগিতা, দোয়া ও সমর্থন একান্ত প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ও রাজনীতি—দুই ক্ষেত্রেই জনকল্যাণকে সামনে রেখে কাজ করে যাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও জনগণের কল্যাণ, শিক্ষা বিস্তার এবং সমাজ উন্নয়নের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করবেন।
স্থানীয়রা জানান, এসএম জহুরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকায় একজন জনপ্রিয় ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিত্ব হিসেবে সুনাম অর্জন করেছেন। তার নেতৃত্বে পবনাপুর মহিলা কলেজ ইতোমধ্যে এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
এলাকাবাসী আশা করছেন, তার আন্তরিক প্রচেষ্টা, দক্ষ নেতৃত্ব ও দূরদর্শী পরিকল্পনার মাধ্যমে পবনাপুর মহিলা কলেজ ভবিষ্যতে জেলার অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা অর্জন করবে এবং শিক্ষা বিস্তারে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। জহুরুল ইসলাম স্যার পবনাপুর মহিলা কলেজের উন্নয়ন ও দেশ-জাতির কল্যাণে বিশেষ দোয়া।
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply