1. admin@durnitirtalashteam.com : durnitirtalashteam :
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
October 22, 2026, 12:58 pm

ছাত্র আন্দোলনে হামলাকারী কামাল চেয়ারম্যান বীরদর্পে প্রকাশ্যে, কেন নীরব প্রশাসন?

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, October 21, 2026
  • 21 Time View

ছাত্র আন্দোলনে হামলাকারী কামাল চেয়ারম্যান বীরদর্পে প্রকাশ্যে, কেন নীরব প্রশাসন?

ব্যুরো চিফ:

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আনন্দলনে হামলাকারী আওয়ামী লীগের দোষর মোঃ কামাল আহমেদ চেয়ারম্যান এখনো নিজ এলাকাতেই প্রকাশ্বে ঘুরে বেড়ান! আইনশৃংখলা বাহিনী নিরব।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতা থাকা কালীন এই কামাল আহমেদ চেয়ারম্যান নানা অপকর্মের সাথে জড়িত ছিলেন, তখন তাকে থামানো মতো কেও ছিলোনা এখনো কেও নেই, তার ভয়ে সাধারণ মানুষ আতংকে জীবন কাটাতেন।

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে শেখর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমেদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, নির্যাতন ও জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা। শনিবার (৯ মে-২০২৬) বিকেলে বোয়ালমারী পৌরসভাস্থ মাদ্রাসা মার্কেটে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বোয়ালমারী সরকারি কলেজের সাবেক জিএস ও বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম মুকুল। লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, শেখর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ গত সরকারের আমলে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হলেও বর্তমানে জনৈক কেন্দ্রীয় কৃষকদল নেতার আশ্রয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করছেন।

লিখিত বক্তব্যে দাবি করা হয়, গত ১৭ মে মোড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলাম ও সাকিবুর রহমানকে জিম্মি করে ৫ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেন চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ। পরবর্তীতে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। এছাড়া ঐতিহ্যবাহী কাটাগড়ের মেলা থেকে অবৈধ নিলামের মাধ্যমে ৩৬ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

নেতারা আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ থেকে আগত ‘নব্য বিএনপি’ নামধারী ব্যক্তিরা ত্যাগী নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। বিশেষ করে উপজেলা বিএনপির সদস্য আনোয়ার হোসেন ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রইসুল ইসলাম পলাশসহ বেশ কয়েকজনকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি বাগডাঙ্গা গ্রামের এক নারীর জমি দখল ও গাছ কেটে নেওয়ার ঘটনায় চেয়ারম্যানের মদদপুষ্টদের অভিযুক্ত করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতারা বলেন, “ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ থেকে আগত এই নব্য বিএনপিরা বিভিন্ন হাটবাজারে চাঁদাবাজি চালাচ্ছে, যার ফলে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। অবিলম্বে এই চাঁদাবাজদের লাগাম টানতে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এবিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা আরো বলেন উপজেলার শেখর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ ও পরিষদের সদস্যদের বিরুদ্ধে (ভিজিডি কার্ডের) গরিবের চাল-ডালসহ বিভিন্ন উপকরণ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগের সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন। উপকারভোগীদের পরিবর্তে চাল-ডালসহ বিভিন্ন উপকরণ যাচ্ছে চেয়ারম্যানের পকেটে।

ভুক্তভোগীদের নামে আসা সকল চাল, ডাল আত্মসাৎ করছেন চেয়ারম্যান নিজেই। বিষয়টি অনেকেই জানতে পেরে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন। মাসের পর মাস সরকারি রিলিফের খাদ্য সহায়তা না পেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিকার চেয়েছিলেন পরিবারগুলো।

হতদরিদ্র কৃষক স্বামীর সংসারে সরকারি সহযোগিতা পেতে বিগত প্রায় দুই বছর আগে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দ্বারস্ত হয়েছিলেন রোকেয়া বেগম (৫২)। ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানের কাছে আকুতি মিনতিতে পাঁচশ টাকার বিনিময়ে পেয়ে যান একটি ভিজিডি কার্ড। প্রথমবার সহযোগিতা পেলেও বন্ধ হয়ে যায় সেই ভাগ্যের দুয়ার। কেড়ে নেওয়া হয় তার সহায়তা কার্ড। এরপর তার নামে প্রতিবারই আসতে থাকে সরকারি চাল, ডালসহ বিভিন্ন উপকরণ কিন্তু একবারও পৌঁছেনি তার হাতে।

শুধু রোকেয়া বেগম নয়- এই ইউপিতে এমনই ৪০ জন ব্যক্তির নামে মাসের পর মাস আসতে থাকে সরকারি সহযোগিতা। তাদের মধ্যে অনেকেই জানেনই না তার নামে কার্ড ইস্যু হয়েছে। কিন্তু উপকারভোগীদের তালিকায় রয়েছে তাদের নাম। এই কার্ডের উপকারভোগীদের পরিবর্তে বরং সেই চাল-ডালসহ বিভিন্ন উপকরণ যাচ্ছে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ৮ নং শেখর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ ও পরিষদের সদস্যদের পকেটে।

সরেজমিনে এমনই তথ্য ওঠে এসেছে। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে না গিয়ে নিজের ব্যক্তিগত অফিসকে ইউপি কার্যালয়ে রূপান্তরিত করেছেন।

ভিজিডি কার্ডের জন্য চেয়ারম্যানের কাছে নিজের ও স্বামী বিল্লাল শিকদারের ছবি দিয়েছিলেন রাখালতলী গ্রামের জোসনা বেগম। এরপর জানতে পারেনি তার নামে কার্ড ইস্যু হয়েছে। কিন্তু ভিজিডি কার্ডের তালিকায় ১২৩ নম্বরে নাম রয়েছে তার। এই নারী বলেন, আমাদের নাম ও ছবি নিয়েছিল কিন্তু আজও আমরা কিছু পাইনি। কার্ড হয়েছে কি-না তাও আমি বলতে পারব না।

এই ভিজিডি কার্ডের তালিকায় নাম থাকা বারাংকুলা গ্রামের মো. দেলোয়ার কাজীর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির চারদিকে টিনের বেড়া দিয়ে ঘেরা, ভেতরে আধাপাকা জোড় ঘর রয়েছে, দেখে মনে হবে না কোনো হতদরিদ্রের বাড়ি। অথচ ওই তালিকায় ১২৭ নম্বরে দেলোয়ার কাজীর স্ত্রী লিমা সুলতানার নাম রয়েছে।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা থাকাকালীন তাকে প্রশ্ন করা হলে শেখর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ বলেন, আমার ও পরিষদের সদস্যদের বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ষড়যন্ত্র বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি একজন মক্কার ইমাম সাহেব!

সোমবার বৈষম্য বিরোধী মালার আসামী মোঃ কামল আহমেদ এর- বিষয়ে মোস্তাফিজুর রহমান অফিসার ইন-চার্জ, বোয়ালমারী থানা,তার মুঠো ফনে একাধিক বার কল করা হলেও মেলেনি কোনো উওর।

এবিষয়ে শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী( পুলিশ সুপার ফরিদপুর ), তার সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন,ছাত্র জনতার উপর হামলা কারী আওয়ামী লীগের দোষর যারা আছেন তাদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি