
মাথায় সিঁদুর দিয়ে নাচানাচি ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা..! বিতর্কিত কামাল চেয়ারম্যান এখনো এলাকায় মুক্ত।
ব্যুরো চিফ:
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী এবং আওয়ামী লীগের কট্টর দোসর হিসেবে পরিচিত মোঃ কামাল আহমেদ চেয়ারম্যান এখনো নিজ এলাকায় বীরদর্পে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বিরুদ্ধে আন্দোলনে সরাসরি অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতার ওপর নির্যাতন ও হামলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রহস্যজনকভাবে নীরব ভূমিকা পালন করছে। এতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। [1]
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন এই কামাল আহমেদ চেয়ারম্যান নিজের পদ ও দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন। বিগত ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর বহু অপরাধী আত্মগোপনে গেলেও এই চেয়ারম্যান এখনো প্রকাশ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন। [1]
শুধু রাজনৈতিক অপরাধই নয়, তাঁর বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানারও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, কামাল আহমেদ মুসলিম ধর্মের অনুসারী হয়েও ধর্মীয় রীতিনীতি ও মূল্যবোধকে অবমাননা করেছেন। সম্প্রতি হিন্দু সম্প্রদায়ের বলির পূজায় অংশ নিয়ে তাঁর নাচানাচি করা এবং মাথায় সিঁদুর লাগানোর বেশ কিছু বিষয় প্রকাশ্যে আসায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একজন দায়িত্বশীল চেয়ারম্যান পদের দাবিদার হয়েও তাঁর এমন বিতর্কিত ও ধর্মীয় অবমাননাকর কর্মকাণ্ডে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের রক্তের দাগ না শুকাতেই কীভাবে একজন হামলাকারী ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারী ব্যক্তি এলাকায় এখনো বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়? প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল চরম বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
অবিলম্বে এই স্বৈরাচারের দোসর ও বিতর্কিত কামাল আহমেদ চেয়ারম্যানকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় ছাত্র-জনতা ও সর্বস্তরের জনগণ।
Leave a Reply