
গাইবান্ধায় ছিনতাইকৃত ২২টি মোবাইল উদ্ধার, ছিনতাই কারীসহ গ্রেপ্তার ৩
রানা ইস্কান্দার রহমান।
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।
গাইবান্ধা সদর থানার একটি ছিনতাই মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করে ছিনতাইকৃত ২২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এ ঘটনায় এক ছিনতাইকারী ও চোরাই মোবাইল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত দুই ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই)জেলা পুলিশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. শরীফ আল রাজীব, পিপিএম।
পুলিশ জানায়, গাইবান্ধা সদর থানার মামলা নং-৩৪, তারিখ ২২ জুলাই ২০২৬, পেনাল কোডের ৩৯২ ধারায় দায়ের হওয়া ছিনতাই মামলার তদন্তে নামে জেলা গোয়েন্দা শাখা।
পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দীনের সার্বিক দিক নির্দেশনায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ২৩ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গাইবান্ধা শহরের ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মোড় নামক এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. আয়াত খান (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আয়াত খানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শহরের ফিরোজা মার্চেন্ট প্লাজায় অবস্থিত ‘আরিয়ান টেলিকম’ নামের একটি পুরাতন মোবাইল ফোনের দোকানে অভিযান চালানো হয়।
সেখান থেকে ছিনতাইকৃত ২০টি পুরাতন অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও ২টি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
একই সঙ্গে চোরাই মোবাইল কেনাবেচার অভিযোগে দোকানের যৌথ মালিক মো. মাসুম মিয়া (৩০) ও মো. রানা (২৮) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আয়াত খানের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর থানায় পূর্বে মোট ১০টি মামলা রয়েছে। সে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম , জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ (নিরস্ত্র) মো. আব্দুল মোত্তালিব সরকারসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
জেলা পুলিশ জানিয়েছে, ছিনতাই, চুরি ও চোরাই মাল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply