
৬ষ্ঠতম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৩য় ধাপে বিজয়ীশংকা
রোকন বিশ্বাস-পাবনা প্রতিনিধিঃ
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৬ষ্ঠতম পাবনা সদর উপজেলায় নির্বাচন ৩য় ধাপে শুরু হচ্ছে ২৯শে-মে।গ্রাম-গঞ্জের মানুষ সর্বত্রই নতুন মুখের দিকে তাকিয়ে আছে।ভোট লড়ায়ে লড়ছেন পাবনা সদর উপজেলায় ৫টি প্রার্থী।
৫টি প্রার্থীর মাঝে পশ্চিমাঞ্চলের ৩জন শহরঞ্চলের ১জন এবং পূর্বাঞ্চলের অর্থাৎ গ্রাম-গঞ্জের প্রার্থী ১জন।এখন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে সবাই নিজ নিজ স্থান ও বিশ্বাসের আস্থার জায়গা থেকে জনগনের দুয়ারে দুয়ারে অবস্থান করছে।এতে জনগন হাস্যকর ভাবে বলছে বিগত দিনে এমন ভাবে প্রার্থী আসে নাই কখনোই,অটোপাশ করে উপজেলা চেয়ারম্যান হয়েছে।এখন কিন্তু আর সেই দিন নেই,জনগনের কাছে ঠিকই হাত পেতে ভোট চাইতে হচ্ছে,এমন দুঃখ কষ্টে কথা বলছেন সাধারণ জনগন।
ভোটারদের মাঝে প্রশ্ন জেগেছিল ছিনিয়ে আনবে কে বিজয়ের মালা?কিছুটা আঁচ দিয়ে বুঝিয়ে দিচ্ছে সাধারণ জনগন এখন।
আলোচনা সমালোচনায় পাবনা জেলার শহরের অনন্তমোড় থেকে প্রত্যান্তঞ্চল গুলোতে ঝড় বয়ে যাচ্ছে হেলিকপ্টার মার্কা প্রতীকের গ্রাম-গঞ্জ,কৃষক ও গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে।তারা বলছে আমাদের নেতা এখন একজনই পূর্বাঞ্চলের জন্য হেলিকপ্টার মার্কার দাবিদার জননেতা আলহাজ্ব আবু সাঈদ খাঁন।
সাধারণ জনগন বলেন,আমরা ৬ ইউনিয়নের মানুষ হেলিকপ্টার মার্কা প্রতীকে ভোট করছি একতাবদ্ধ হয়ে।উক্তিতে নয় যুক্তি দিয়েছে সাধারণ জনগন,আমাদের পাবনা সদর উপজেলাকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে বিগত দিন থেকেই।এই বিভাজন শুরু থেকেই হয়ে আসছে পাবনার সদর উপজেলায়।
একটি পশ্চিমাঞ্চল অন্যটি একটি পূর্বাঞ্চল এবং মাঝে আছে পৌরসভা।পশ্চিমাঞ্চলের ৪টি ইউনিয়ন আর পূর্বাঞ্চলের ৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এই নিয়েই পাবনা সদর উপজেলা গঠিত।পশ্চিমাঞ্চলেই কাজ করেছে,পূর্বাঞ্চলে ফিরেও দেখেনি এবং অটোপাশ নির্বাচনের জন্য আসার প্রয়োজন মনে করে নাই।
এখন ভোট লড়াইয়ের নির্বাচনকে সামনে রেখে আশ্বাসের উপর আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে কিন্তু বিশ্বাস করাও কষ্টকর।এর সাথে পশ্চিমাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলের কথাও উঠেছে আঞ্চলিকতার বিভাজন নিয়ে।
পশ্চিমাঞ্চলে ক্ষমতা থাকায় অধিকাংশ কাজই করেছে তাদের অঞ্চলে যার সুনির্দিষ্টভাবে একাধিক প্রমাণও রয়েছে।পশ্চিমাঞ্চলের দিক দর্শনে বোঝা যায় পাবনা মেডিকেল কলেজ,আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস,সার্কিট হাউজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নির্মাণ হয়েছে।পূর্বাঞ্চলে এখন পর্যন্ত কোন কিছুই প্রতিষ্ঠিত হয় নাই।অবহেলার দ্বারপ্রান্তে এখনো পূর্বাঞ্চল পরে আছে।বিগত পনেরো বছরে সতন্ত্র নির্বাচন না হওয়ায় এমন সরগোলের মধ্যে দিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান পরিষদের নির্বাচনে দীর্ঘদিন পরে আসলো সতন্ত্র নির্বাচন।এই নির্বাচনকে সামনে রেখে জনগন শস্থির নিঃশ্বাস ফেলছে এ যেন সুদিনের এক রুপরেখা।সুদিনের অপেক্ষার প্রহর গুনতে গুনতে চলে আসলো সে সময়।দীর্ঘ লম্বা সময় অতিবাহিত করে কিছুটা গনতন্ত্র ফিরে আসছে বলে মনে করেন সাধারণ জনগন।আর এই সতন্ত্র নির্বাচন হবে মনে করেই পূর্বাঞ্চলের ৬টি ইউনিয়নের একটি প্রার্থী বাছাই করে নিয়েছে দীর্ঘ ২৭বছরের নির্বাচনে নির্বাচিত ভাড়াড়া ইউনিয়নের সাবেক সফল চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সাঈদ খাঁন।সদর উপজেলায় মোট ভোটারের সংখ্যা ৪লক্ষ ৮০হাজার প্রায়।
পূর্বাঞ্চল অর্থাৎ ৬টি ইউনিয়ন ৬৫% ভোটের দাবিদার বাকি পশ্চিমাঞ্চলে ৩৫% ভোটের দাবিদার।ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচনে সাধারণ জনগন গ্রাম-গঞ্জের মানুষ শহরমুখী আসতে চাচ্ছে না এমন আলোচনা শুরু হয়েছে চা-ষ্টলে ষ্টলে ও মুদি দোকানপাটে।সাধারণ জনগনের সাথে কথা বলে জানা যায়,স্বচ্ছ প্রার্থী হিসাবে আমরা আমাদের ছয় ইউনিয়নের মনোনিত প্রার্থী হেলিকপ্টার মার্কার দাবিদার আলহাজ্ব আবু সাঈদ খাঁন।আমরা জোর করে বলতে পারি হেলিকপ্টার মার্কা শুধু আলহাজ্ব আবু সাঈদ খাঁনের নয় এই প্রতীক আমাদের তাই আমরা সর্বোচ্চ ভোটে বিজয়ী হবো বলে আশা করি।
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply