1. admin@pratidindurnitirtalash.com : pratidindurnitirtalash : pratidindurnitirtalash
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন

গাইবান্ধা সদরের খাল খননের ৫৭ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৭ Time View

গাইবান্ধা সদরের খাল খননের ৫৭ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত

‎রানা ইস্কান্দার রহমান।

 

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।

 

‎গাইবান্ধা সদর উপজেলার দুটি খাল খনন প্রকল্পে সরকারের বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও নির্ধারিত সময়ে কাজ বাস্তবায়ন করা যায়নি। বরাদ্দ বিলম্বে পাওয়া এবং এরই মধ্যে বর্ষা মৌসুম শুরু হয়ে যাওয়ায় প্রকল্প দুটি আটকে যায়। ফলে অব্যয়িত ৫৭ লাখ ৩২ হাজার ৪৪৩ টাকা সোমবার (৩ আগস্ট ২০২৬) সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

‎উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে খাল খনন প্রকল্পে দুটি খাতে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ওয়েজ কস্ট খাতে শ্রমিকের মজুরি এবং নন-ওয়েজ কস্ট খাতে যন্ত্রপাতি, জ্বালানি, সরঞ্জাম ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয়ের জন্য অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়।

‎সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের কাশদহ-নান্দিনা খাল খনন প্রকল্পে ওয়েজ কস্ট খাতে ২০ লাখ ৫০ হাজার ৪৯২ টাকা এবং নন-ওয়েজ কস্ট খাতে ২০ লাখ ৭৩ হাজার ৫৬৪ টাকা বরাদ্দ ছিল। কিন্তু বরাদ্দ নির্ধারিত সময়ের পরে পাওয়ায় এরই মধ্যে বর্ষা শুরু হয়ে যায়। ফলে প্রকল্পটির কাজ শুরুই করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে দুই খাতের পুরো ৪১ লাখ ২৪ হাজার ৫৬ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হয়েছে।

‎অন্যদিকে, সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের প্রায় ১ দশমিক ৪ কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্পে ওয়েজ কস্ট খাতে ১৭ লাখ ৯৪ হাজার ৭১৮ টাকা বরাদ্দ ছিল। এর মধ্যে প্রায় ১০০ মিটার খননকাজ বাস্তবায়ন না হওয়ায় ৭ লাখ ১৪ হাজার ১৮ টাকা অব্যয়িত থেকে যায়। একই প্রকল্পে নন-ওয়েজ কস্ট খাতে বরাদ্দ ছিল ১৮ লাখ ১৪ হাজার ৩৬৯ টাকা, যার মধ্যে ৮ লাখ ৯৪ হাজার ৩৬৯ টাকা ব্যয় না হওয়ায় সেটিও সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

‎সব মিলিয়ে দুটি প্রকল্পের অব্যয়িত ৫৭ লাখ ৩২ হাজার ৪৪৩ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত গেছে।

‎এ বিষয়ে সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ বলেন, কয়েকটি প্রকল্পের বরাদ্দ নির্ধারিত সময়ের পরে পাওয়া যায়। এরই মধ্যে বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ায় খাল খননের কাজ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। সরকারি আর্থিক বিধি অনুযায়ী অব্যয়িত অর্থ ৩ আগস্ট সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

‎প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সময়মতো খাল খননের কাজ শেষ হলে বর্ষার পানি দ্রুত নিষ্কাশন, জলাবদ্ধতা কমানো এবং কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু বরাদ্দ পেতে বিলম্ব এবং মৌসুমি প্রতিকূলতার কারণে সেই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত সরকারি বিধি অনুযায়ী অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025

: :