1. admin@pratidindurnitirtalash.com : pratidindurnitirtalash : pratidindurnitirtalash
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:১২ অপরাহ্ন

অভিযোগের মুখে শিশু হাসপাতালের নিয়োগ প্রক্রিয়া

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬
  • ৪১ Time View

অভিযোগের মুখে শিশু হাসপাতালের নিয়োগ প্রক্রিয়া

নিজস্ব প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার বেসরকারি ডা. এম.আর. খান শিশু হাসপাতালে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে আবারও অনিয়ম ও পূর্বনির্ধারিত প্রার্থী নির্বাচনের অভিযোগ উঠেছে। গত ৮ মার্চ অনুষ্ঠিত নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত হওয়ার পর আগামী ১৪ মার্চ শনিবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা কালেক্টর স্কুল অ্যান্ড কলেজে পুনরায় লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও আগেই নির্দিষ্ট ছয়জন প্রার্থীকে চূড়ান্ত করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা যায়, হাসপাতালের ৬টি পদের বিপরীতে প্রায় ৩০ জন প্রার্থী আবেদন করেন। গত ৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের একটি কক্ষে সকাল ১১টায় লিখিত পরীক্ষা ছাড়াই সরাসরি মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) নেওয়া হয়। এতে নিয়োগ নীতিমালা উপেক্ষা করে আগেই নির্ধারণ করা ছয়জন প্রার্থীকে নির্বাচিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত ঘোষণা করা হয়।
সূত্র জানায়, ওই দিন অনুষ্ঠিত ভাইভা ছিল কেবলমাত্র লোক দেখানো পরীক্ষা এবং মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে প্রার্থীদের আগেই ঠিক করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
হাসপাতালের ৬টি পদের মধ্যে রয়েছে—ডাক্তার, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, অমুসলিম নার্স, প্যাথলজি টেকনোলজিস্ট, সহকারী ডাক্তার ও নাইট গার্ড। এসব পদের জন্য নিয়োগ বোর্ড বসেছিল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে।
সেই নিয়োগ বোর্ডে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লিয়াকত পারভেজ, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি ডা. জয়ন্ত কুমার সরকার, হাসপাতালের প্রতিনিধি ডা. অসিত কুমার স্বর্ণকার, ডা. আবুল বাসার আরমান এবং হাসপাতালের সেক্রেটারি এম. জামান খান।
অভিযোগ রয়েছে, ওই প্রক্রিয়ায় ডাক্তার পদে ডা. তনিমা রহমান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে মোস্তাফিজুর রহমান, অমুসলিম নার্স পদে স্মৃতি সরকার ও তনু দত্ত, প্যাথলজি টেকনোলজিস্ট পদে রাফিদ খান, সহকারী ডাক্তার পদে সৈকত মজুমদার ও শামীমা আক্তার শান্তা এবং নাইট গার্ড পদে সজিব বাবুকে নির্বাচিত করা হয়।
পরবর্তীতে অভিযোগ ওঠার পর নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল ঘোষণা করা হয় এবং পুনরায় লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ সম্পন্ন করার কথা জানানো হয়।
তবে নতুন করে আগামী ১৪ মার্চ শনিবার সকাল ১১টায় কালেক্টর স্কুল অ্যান্ড কলেজে পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি চললেও, সংশ্লিষ্টদের দাবি—আগেই ছয়জন প্রার্থীকে চূড়ান্ত করে রাখা হয়েছে এবং একটি তিন সদস্যের বোর্ডের মাধ্যমে পুনরায় সাজানো নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বোর্ডের নেতৃত্বে থাকবেন আইটিসি শিক্ষা বিভাগের শরীফ সাহেব এবং সদস্য হিসেবে থাকবেন ডা. অমিত ও ডা. জয়ন্ত—এমন অভিযোগও উঠেছে।

হাসপাতালের সেক্রেটারি এম. জামান খান বলেন, “নিয়োগ বোর্ড লিখিত পরীক্ষা না নিয়ে ভাইভা নিয়েছিল—এটা সত্য। তবে আগেই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে—এ অভিযোগ সঠিক নয়।”
এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল বলেন, আগের নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করা হয়েছে এবং লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে নতুন করে নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে।
তবে প্রার্থীদের একাংশের দাবি, স্বচ্ছ ও ন্যায্য নিয়োগ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন, অন্যথায় আবারও ‘পাতানো নিয়োগ’ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025

: :