1. admin@pratidindurnitirtalash.com : pratidindurnitirtalash : pratidindurnitirtalash
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন

রামগঞ্জ উপজেলার ১০নম্বর ভাটরা ইউনিয়নের দল্টা বাজারে খালের জায়গা দখল করে অবৈধভাবে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৭ Time View

রামগঞ্জ উপজেলার ১০নম্বর ভাটরা ইউনিয়নের দল্টা বাজারে খালের জায়গা দখল করে অবৈধভাবে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। বাজারের উত্তর পাশে অবস্থিত একটি পুরোনো খালের অংশ ভরাট করে স্থাপনা তৈরির কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা ও পরিবেশগত ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মতিন ও মনির হোসেন (পিতা: মৃত আব্দুল খালেক), দল্টা আলাবক্স ভূঁইয়া বাড়ির বাসিন্দা, খালের জায়গা দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করছেন। ইতোমধ্যে খালের একটি অংশে সিমেন্টের পিলার বসিয়ে ভরাট করা হয়েছে এবং সেখানে টিনশেড কাঠামো নির্মাণের কাজও শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।

সরেজমিনে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দল্টা বাজারসংলগ্ন খালটি দীর্ঘদিন ধরে বাজার ও আশপাশের এলাকার পানি নিষ্কাশনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বর্ষাকালে ভারী বৃষ্টির সময় এই খাল দিয়েই দ্রুত পানি নেমে যায়। স্থানীয়দের আশঙ্কা, খালের প্রস্থ কমে গেলে কিংবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে বাজার ও আশপাশের বসতবাড়িতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে।

দল্টা বাজারের এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এই খালটাই আমাদের ভরসা। বৃষ্টি হলেই বাজারের পানি খালে চলে যায়। খালটা যদি দখল হয়ে যায়, তাহলে কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই পুরো বাজার ডুবে যাবে।”

আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “খাল সরকারি সম্পত্তি। ব্যক্তিগতভাবে কেউ এটি দখল করতে পারে না। আমরা চাই প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিক।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল মতিন ও মনির হোসেন দাবি করেন, জায়গাটি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি।

ভাটরা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম জানান, অভিযোগের বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। তিনি বলেন, খালের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণের প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী উচ্ছেদ করা হবে। বিষয়টি তদন্ত করে উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করার প্রস্তুতি চলছে।

এ বিষয়ে ফারাশিদ বিন এনাম বলেন, “খাল বা জলাশয় দখলের অভিযোগ পেলে আমরা তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখি। ইতোমধ্যে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। তদন্তে খালের জায়গা দখলের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, জলবায়ু পরিবর্তন ও অতিবৃষ্টির প্রেক্ষাপটে প্রাকৃতিক পানি প্রবাহের পথ রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। খাল, পুকুর ও জলাশয় দখল বন্ধে কঠোর নজরদারি না থাকলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের পরিবেশগত ক্ষতি ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বজায় থাকে এবং বাজারসহ আশপাশের বসতবাড়ি জলাবদ্ধতার ঝুঁকি থেকে রক্ষা পায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025

: :