1. admin@pratidindurnitirtalash.com : pratidindurnitirtalash : pratidindurnitirtalash
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন

বাঙালির শোক ও গৌরবের এক অবিনশ্বর ইতিহাস একুশে ফেব্রুয়ারি

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২০ Time View

বাঙালির শোক ও গৌরবের এক অবিনশ্বর ইতিহাস একুশে ফেব্রুয়ারি

মোঃ আব্দুর রব : বিশেষ প্রতিনিধি @ সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি

একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালির শোক ও গৌরবের এক অবিনশ্বর ইতিহাস।

যে ইতিহাস দেশের গণ্ডি পেরিয়ে পুরো বিশ্বে সমাদৃত। শুধু ভাষার দাবিতে নিজের বুকের রক্ত ঢেলে প্রতিবাদ এক অনন্য নজির।

ভাষাবিদরা বলছেন, দেশকে ভালোবেসে বাংলা ভাষা ও দেশীয় সংস্কৃতির চর্চা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি বন্ধ করতে হবে বিদেশে পাড়ি জমানোর প্রবণতা।

রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি—শোক, গৌরব আর আত্মত্যাগের এক অনন্য অধ্যায়।

১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে জীবন দিয়েছিলেন সালাম, বরকত, রফিক ও জব্বারসহ অনেক তরুণ।

ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায় ১৯৪৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করলে দ্রোহের ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে বাঙালির মনে।

গড়ে ওঠে দুর্বার আন্দোলন। যার কেন্দ্রবিন্দু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা ভেঙে রাজপথে নামেন শিক্ষার্থীরা।

সেদিনের মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে শহীদ হন কয়েকজন তরুণ আন্দোলনকারী।

ভাষা আন্দোলনের গবেষক ও ভাষাবিদরা বলছেন, একুশ কেবল ভাষার দাবি নয়, এটি ছিল আত্মপরিচয় ও সাংস্কৃতিক অধিকারের সংগ্রাম। তাই ভাষাকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ।

পাশাপাশি বন্ধ করতে হবে দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি দেয়ার প্রবণতা।

বাংলা একাডেমির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক বলেন, ‘বাংলা ভাষার প্রতি অনেকের তেমন আগ্রহ নেই।

আমাদের উচ্চশিক্ষিত বাঙালিরা, রাষ্ট্রের ধনী লোকেরা দেশত্যাগ করে অন্য দেশে চলে যাচ্ছে।

তারা বলছেন, এদেশে রাষ্ট্র গড়ে উঠবে না, বাঙালি জাতি উন্নতি করতে পারবে না।

যখন এ ধরনের আত্মসমালোচনা হয়, তখন কিন্তু ভাষার গতিও খর্ব হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘রাজনীতি, রাষ্ট্রপরিচালনা, উচ্চশিক্ষা ও অফিস-আদালতে যদি বাংলা ভাষার ব্যবহার বাড়তে থাকে। তাহলে ভাষার উন্নতি হবে।

ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি পায় ১৯৯৯ সালে, যখন ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

তখন থেকে দিনটি বিশ্বজুড়ে ভাষাগত বৈচিত্র্য ও মাতৃভাষার অধিকারের প্রতীক।

স্মৃতির মিনারে একদিনের শ্রদ্ধা নয় বরং বাঙালির গৌরব আর অহংকারের প্রতীক বাংলা ভাষাকে মনেপ্রাণে ধারণ করে এগিয়ে যেতে পারলেই শোধ হবে শহীদদের রক্তের ঋণ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025

: :