
পঞ্চগড় প্রেসক্লাবে বাংলা মদের বোতলের ছরাছরি সাংবাদিকদের ডোপ টেস্টের চ্যালেঞ্জ স্থানীয় জনগণের
পঞ্চগড়:
সমাজের দর্পণ হিসেবে পরিচিত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে গুরুতর মাদকাসক্তের অভিযোগ। খোদ পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের ভেতরে দেশীয় মদ (বাংলা মদ) ভাগাভাগি নিয়ে মারামারি এবং যত্রতত্র মদের বোতল ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকার মতো ন্যক্কারজনক ঘটনার বিষয় হয়তো অনেকেই জানেন।
সাংবাদিকতার মতো মহান পেশার পবিত্রতা রক্ষায় পঞ্চগড়ের সাংবাদিকদের ‘ডোপ টেস্ট’ করার জোর দাবি উঠেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা অনেক সদস্য থেকে শুরু করে সাধারণ সদস্যদের একটি বড় অংশই মাদকাসক্ত। সিনিয়র থেকে জুনিয়র—প্রেসক্লাবের প্রায় অর্ধেক সদস্যই মাদকের সাথে জড়িত বলে অভিযোহ উঠেছে। অভিযোগকারীদের মতে, অনেক সাংবাদিকের অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, মাদক ছাড়া তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রমই অচল হয়ে পড়ে।
আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাদের ভূমিকা নিয়ে। সচেতন মহলের দাবি, পঞ্চগড়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা এসব মাদকসেবী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। উল্টো তারা এই অসাধু চক্রের সাথে তাল মিলিয়ে চলছেন, যা সাধারণ মানুষের মনে গভীর ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
এই অবস্থায় পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সকল সদস্যের প্রতি এক উন্মুক্ত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা বলেন, “যদি সাংবাদিকরা মাদকের সাথে জড়িত না থাকেন, তবে প্রেসক্লাবের শীর্ষ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সাধারণ সদস্য পর্যন্ত সবাই ডোপ টেস্ট করে দেখান। জনগণের কাছে নিজেদের স্বচ্ছতা ও সত্যতা তুলে ধরুন।”
একইসাথে, সরকার ও প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে যেন অনতিবিলম্বে সাংবাদিকদের ডোপ টেস্টের মাধ্যমে এই পেশায় তাদের বৈধতা নিশ্চিত করা হয়।
তবে সমাজের দর্পণ হিসেবে পরিচিত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় জেলার সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সমালোচনা ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply