
রামগঞ্জে দলিল লিখক সমিতির সভাপতির পরিবারের বিরুদ্ধে ফেসবুকে সম্মানহানির পোষ্ট। হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবী
রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি:
@@পূর্ব শত্রুতার জের ধরে রামগঞ্জ দলিল লিখক সমিতির সভাপতি মোঃ গোলাম মোস্তফা ভূইয়া ও তাহার সহধর্মিণী নাসিমা আক্তার, ছেলে ফখরুল ইসলাম, নাঈমুল হাসান ভূইয়ার বিরুদ্ধে ফেসবুকে সম্মানহানির করার অভিযোগ উঠেছে। সৃষ্ট ঘটনায় ভুক্তভোগী সহ স্থানীয়দের মাঝে চরমভাবে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, মো: নাঈমুল হাসান ভূইয়া, ফখরুল ইসলাম ভূইয়া সহ স্থানীয়রা জানান গত দুই বছর যাবত সম্পত্তি বিরোধের জেরধরে একই বাড়ির মৃত গোলাম ওয়াদুদ ভূইয়ার ছেলে সফিক ভূইয়া, মৃত ছেলামত উল্যাহ ভূইয়ার ছেলে গোলাম ফারুক ভূইয়া বিভিন্ন পেইজবুক, ফেইক আইডি মাধ্যমে পোষ্ট করে সন্মান হানি করেন। ফারুক ভূইয়া অর্থ যোগান দিয়ে গোলাম ওয়াদুদ ভূইয়ার স্ত্রী রাবেয়া বেগমকে দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্যাট আদালত, ইউনিয়ন পরিষদ ও রামগঞ্জ থানায় ৫টি মিথ্যা মামলা করেন। বিজ্ঞ আদালত হতে মিথ্যা মামলা রায় পাওয়া সত্ত্বে বিভিন্ন সময় অভিযুক্তরা আমাদের পরিবারের সদস্যদেরকে প্রাণনাসের হুমকি, ইন্টারনেট মাধ্যমে চাঁদাদাবী করেন।
আমাদের পরিবারকে বারবার নাজেহাল করেন।
গত ৭ইআগষ্ট ২০২৪ইং আমার উপর মব সৃষ্টি হয়েছে। দুর্বৃত্তরা আমার কানধর উদবস করান। পরেই ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে পোষ্ট করেন।
আমার স্ত্রী নাসিমা বেগম একজন পর্দাশীল নারী। একটি সামাজিক অনুষ্ঠান হতে তার ছবি নিযে এডিট করে ব্যঙ্গচিত্রে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে ভাইরাল করেন। আমার দুই ছেলে ফখরুল ইসলাম ও নাঈমুল হাসান ভূইয়ার ছবি সংগ্রহ করে এডিট করে ব্যঙ্গচিত্র করে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে পোষ্ট করেন।
একপর্যায়ে রাবেয়া বেগম নামক মহিলাকে দিয়ে একেরপর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে নাজেহাল করেছেন। ফেক আইডি Sorafat Bhuiyan, সাইবার কাটালী ভূইয়া, আমাদের ফরিদগঞ্জ আইডি সহ বহু ফেকআইডি খোলে গোলাম মোস্তফা ভূইয়া তার স্ত্রী নাসিমা আক্তার সহ ছেলে সন্তান মো: নাঈমুল হাসান এর ছবি এডিট করে বিকৃতভাষ্য ব্যবহার ফেসবুকে পোষ্ট করেন। ইন্টারনেট, ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে বিভিন্ন সময় চাঁদা দাবী করেন।
টাকা না দেওয়ায় প্রাণনাসের হুমকি দিয়েছেন।
গোলাম মোস্তফা ভূইয়া আরও জানান আমি গত ৫ই আগষ্ট পরেই মব শিকার হয়েছি। চাঁদাবাজরানআমাকে সাবরেজিস্টার অফিস থেকে মোটর সাইকেলে রতনপুর গ্রামের একটি সুপারি বাগানে নিয়ে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতণ করে নগত ৪০ হাজার টাকা নিয়ে যান। তারপর কানধর উৎপস করান। সোশ্যাল মিডিয়া আমার কানধরা ছবি, আমার স্ত্রী় একটি সামাজিক অনুষ্ঠান ছবি ও ছেলের একটি ছবি এডিট করে সোশ্যাল মিডিয়া ভাইরাল করেন।
আমাদের পরিবার নিরাপত্তাহীনতা ভুগছি। আমি চিহৃিত অপরাধী রাবেয়া বেগম, গোলাম ফারুক, সফিকুল ভূইয়ার উপযুক্ত শাস্তি দাবী করছি।
এ ব্যাপারে রাবেয়া বেগম, সফিকুল ইসলাম, ফারুক ভূইয়ার সাথে একাধিকবার চেষ্টা করে তাহাদের মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি। থানা ওসি মোহাম্মদ ফিরোজ উদ্দিন জানান এ বিষয় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply