
গত ১৩ই অক্টোবর-২০২৪খ্রী. থেকে নদীতে ইলিশ মাছ স্বীকার নিষিদ্ধ করার পরেও থেমে নেই ইলিশ মাছ স্বীকার যেন দেখার কেউ নেই!!!
মো: আবু ছালেহ (বিপ্লব)//
ষ্টাফ রিপোর্টার (ক্রাইম) //
অদ্য ১৬-১০-২০২৪ইংরেজী তারিখ রোজ বুধবার রাত আনুমানিক ১১:৫৫ মিনিট থেকে আমি ও আমার টিম বাকেরগঞ্জ, বাউফল ও ভোলার তেতুলিয়া নদীতে প্রশাসনের লোকজন কোষ্টগার্ড, নৌ- পুলিশ, থানা পুলিশ ও মৎস্য কর্মকর্তা ও মৎস্য অধিদপ্তরের লোকজনের নীরব ভুমিকা পালন এবং নির্বিগ্নে বরিশাল বিভাগের তেতুলিয়া নদী সহ প্রতিটি নদীতে মা ইলিশ স্বীকার করতে দেখেছি এবং রাতের অন্ধকারে জেলেরা তেতুলিয়া নদীতে মাছ স্বীকার করতে দেখেছি তাদের জিজ্ঞেস করলে তারা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলে জানান যে প্রতিটি নৌকা, ট্রলার থেকে মাসে (৩,০০০) তিন হাজার টাকা করে মাসোহারা দিয়ে নদীতে মাছ স্বীকার করছি আপনার কোন সমস্যা আছে?
আমার তাদের প্রশ্নের জবাব দিতে পারতাম যদি মৎস্য অধিদপ্তরের এন ও সি সাংবাদিক হিসেবে থাকতো এবং প্রশাসনের দ্বায়িত্ব যারা পালন করছে বাংলাদেশ কোষ্টগার্ড, নৌ-পুলিশ, থানা পুলিশ ও মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সাংবাদিকদের যদি মা ইলিশ স্বীকার বন্ধে প্রতিটি প্রশাসনের লোকজন যারা ১০০% সততার সঙ্গে পবিত্র কুরআন শপথ করে কিছু সাংবাদিকদের নদীতে প্রশাসনের লোকজন যারা নদীতে মা ইলিশ স্বীকার বন্ধের দ্বায়িত্ব পালন করে তাদের নিজেদের বাড়ী, আত্বীয় স্বজন সকলের ফ্রিজে ইলিশ মাছ দিয়ে ভরে ফেলেছেন এবং মাসিক চাদাবাজী তো চলমান প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চালিয়ে যাচ্ছে এবং হাজার হাজার কুটি টাকার দুর্নীতি ও মাসিক মাসোহারা তুলে একদিকে অন্তরবর্তীকালীন সরকার এর সরকারী বেতন এবং জেলেদের থেকে প্রতি মাছ স্বীকার করার নৌকা ট্রলার থেকে (৩,০০০) তিন হাজার করে টাকার বিনিময়ে অতিরিক্ত আয়ের উৎস তৈতৈরী করে নিচ্ছেন প্রশাসনের লোকজন এবং মা ইলিশ স্বীকার বন্ধে মৎস্য অধিদপ্তরের মৎস্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নীরব ভুমিকা পালন করে যাচ্ছেন সাংবাদিকদের নিউজ নিয়ে অদ্যাবধি সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের লোকজনের নীরব ভুমিকা পালন ব্যাতিত কোন প্রকার সহযোগিতা করে না সাংবাদিকদের সত্য সংবাদ সংগ্রহ করে প্রচার করার পরেও কেন কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগন জানতে চেয়েছেন স্থানীয় জনসাধারণ।
জেলেদের জেলে কার্ড, কৃষকদের কৃষি কার্ড মা ইলিশ স্বীকার বন্ধে লক্ষ লক্ষ টন চাল জেলেদের মধ্যে বিতরণ করা সহ নদী থেকে কারেন্ট জাল ও বিভিন্ন উপায় নির্বিঘ্নে মা ইলিশ স্বীকার করে যাচ্ছেন সারারাত আমি এখনো নদীতে ট্রলারে তেল পুরে ঘুরে ঘুরে দেখেছি কিন্তু আমার তো আর সত্যতা প্রমাণিত করার পরে সত্যি সংবাদ প্রচারিত করি কিন্তু তাতে কি আমাকে পুরুষ্কার দিবেন নাকি আমাকে কোন দ্বায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে সহযোগিতা করেছেন সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগন কিন্তু আমি আমার দ্বায়িত্ব যথাযথভাবে সততার সঙ্গে পবিত্র কুরআন শপথ করে বলতে পারবো যে অন্যায় করিনা এবং অন্যায়কে সয্য করার মতো ক্ষমতা আমার চরিত্রে নেই তাই আমি আমার দেশের জন্য কিছু বিরল ঘটনা ঘটিয়ে রেখে কাজ করে যেতে চাই যাতে পরকালে আমার সাংবাদিক হিসেবে আমি আমার দ্বায়িত্ব যথাযথভাবে সততার সঙ্গে পালন করেছিলাম সেটা আমি আল্লাহর কাছে বলতে পারবো, তাই আমি সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের লোকজনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি এবং বাংলাদেশ কোষ্টগার্ড,নৌ-পুলিশ, থানা পুলিশ ও মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মা ইলিশ স্বীকার বন্ধে যে পরিমাণ বাজেট খরচ হয় তার সকল প্রকার অর্থই অনার্থক খরচ করে বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের উপর এবং দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত দাম বাড়ছে এবং সাধারণকে কষ্ট দিচ্ছেন যার স্বীকার আমিও বাংলাদেশ সরকার এর কাছে আমার প্রশ্ন প্রকৃত সাংবাদিকদের মূল্যায়ন করেছেন কোনদিন যদি মুক্তিযোদ্ধাগন ভাতা পায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সহ লক্ষ মানুষ একবার যুদ্ধ করে আর একজন সাংবাদিক তার জীবন বাজী রেখে মার খেয়ে নিহত ও আহত হচ্ছে দেশের সাধারণ জনগণের জান মালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রতিদিন সকাল থেকে শুরু করে সারা জীবন পার করে দেয় তারপরেও সাংবাদিকদের উপর মামলা হামলা সহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি সহ মেরে ফেলে যেভাবে শাগর রুনির হত্যার বিচার কি অদ্যাবধি হয়েছে এবং কোনদিন হবে না সেটাও জানার পরেও আমি সাংবাদিকতা করি দেশের সাধারণ মানুষের জন্য তাই এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply