
ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, মানুষকে কবর দেওয়ার পর আল্লাহর নির্দেশে মুনকার ও নাকীর নামে দুইজন ফেরেশতা এসে মৃত ব্যক্তিকে প্রশ্ন করেন। তাঁরা জিজ্ঞাসা করেন: তোমার রব কে? তোমার দ্বীন কী? এবং তোমাদের কাছে প্রেরিত এই ব্যক্তি (হযরত মুহাম্মদ ﷺ) সম্পর্কে তুমি কী জানো?
একজন ঈমানদার ব্যক্তি আল্লাহর তাওফিকে সঠিক উত্তর দিতে সক্ষম হন, ফলে তার কবর প্রশস্ত করা হয় এবং জান্নাতের সুসংবাদ দেওয়া হয়। আর অবিশ্বাসী বা মুনাফিক ব্যক্তি সঠিক উত্তর দিতে না পারায় কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হয়। তাই কবরের প্রশ্নের জন্য শুধু মুখস্থ নয়, বরং ঈমান, সৎ আমল, নামাজ, তাকওয়া ও আল্লাহর আনুগত্যপূর্ণ জীবনই প্রকৃত প্রস্তুতি। মুসলিমদের উচিত দুনিয়ার জীবনকে আখিরাতের সফলতার জন্য কাজে লাগানো, বেশি বেশি তাওবা করা এবং আল্লাহর কাছে উত্তম পরিণতির দোয়া করা। আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবরের পরীক্ষায় সফলতা দান করুন। আমীন।
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply