
বছরের পলাতক পরোয়ানাভুক্ত দুর্ধর্ষ আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৫
মোঃ আরফাতুল ইসলাম সানি স্টাফ রিপোর্টার:কক্সবাজার।
এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই “বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই মূলমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, অপরাধ দমন এবং অবৈধ মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে র্যাবের আপসহীন ও চিরুনি অভিযান সর্বদাই সর্বস্তরের জনগণের মাঝে বিপুল প্রশংসিত হয়েছে। বিশেষ করে ওয়ারেন্টভুক্ত ও দীর্ঘদিনের পলাতক অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব প্রতিনিয়ত গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করেছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, গত ০৩ জুলাই ২০২৬ খ্রিঃ তারিখ আনুমানিক রাত ২৩.৩০ ঘটিকায় র্যাব-১৫, সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন সদর ইউপির মহেশখালীয়াপাড়া সাকিনের শামীমা ফিলিং স্টেশন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মাদক মামলার দীর্ঘ ৪ (চার) বছর যাবৎ পলাতক থাকা ১ জন পরোয়ানাভুক্ত আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন পশ্চিম গোদারবিল (০৬ নং ওয়ার্ড, টেকনাফ সদর ইউপি) এলাকার সৈয়দ হোছন প্রকাশ সৈয়দ আহম্মদের ছেলে মোঃ জামাল হোছন (৩০)।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ জামাল হোছনের বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটনের যাত্রাবাড়ী থানায় ২০২০ সালের একটি মাদক মামলা রুজু রয়েছে। উক্ত মাদক মামলায় বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক তার বিরুদ্ধে জিআর পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) জারী হওয়ার পর থেকেই সে গ্রেফতার এড়াতে দীর্ঘ চার বছর ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিল। অত্যন্ত চতুরতার সাথে সে স্থান পরিবর্তন করে আসছিল, কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। র্যাব-১৫ এর নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবশেষে তাকে আইনের মুখোমুখি হতে হলো।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে তাকে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদকের করাল গ্রাস এবং অপরাধ দমনে র্যাব-১৫ এর এই রূপ চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply