1. admin@pratidindurnitirtalash.com : pratidindurnitirtalash : pratidindurnitirtalash
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন

বালিয়াডাঙ্গীতে ২০০ কোটি টাকার পেঁয়াজ বীজ বিক্রয়ের সম্ভাবনা.

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৩ Time View

বালিয়াডাঙ্গীতে ২০০ কোটি টাকার পেঁয়াজ বীজ বিক্রয়ের সম্ভাবনা.
বাসুদেব মহন্ত বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার প্রতিনিধি , ঠাকুরগাঁও ।

সাদা ফুল আর কালো বীজ—স্বর্ণের মতো দাম। তাই কৃষকসহ সবার কাছে এরপরিচিতি ‘কালো সোনা’ নামে। দূর থেকে দেখলে মনে হয় সাদা ফুলের বাগান, কিন্তু এই সাদা ফুলের মাঝেই লুকিয়ে আছে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন।
আমাদের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা জুড়ে এবার পেঁয়াজ বীজের আবাদে রীতিমতো বিপ্লুল পরিমান দেখা গেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তামান্না ফেরদৌস জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১ হাজার ৬৫ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ বীজের চাষ হয়েছে। উপজেলার আটটি ইউনিয়নের মধ্যে পাড়ীয়া, ধনতলা ও চাড়োল ইউনিয়নে উৎপাদন সবচেয়ে বেশি। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আতাউর রহমান আমাকে জানান, এ বছর আবাদ হওয়া জমির পরিমাণ ৭৫ শতাংশে হাইব্রিড, ২০ শতাংশে কিং, ৩ শতাংশে তাহেরপুরি এবং ২ শতাংশে অন্যান্য জাতের পেঁয়াজ বীজ চাষ হয়েছে। ফলন ও বাজারদর ভালো হওয়ায় কৃষকেরা হাইব্রিড জাতের প্রতি বেশি ঝুঁকেছেন। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, প্রতি বিঘায় পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনে গড়ে খরচ হয় প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অন্যদিকে বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বীজ ১ হাজার ৪০০ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতি বিঘায় ১৬০ কেজির বেশি ফলন পাওয়া সম্ভব।সে হিসাবে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে চলতি মৌসুমে বালিয়াডাঙ্গীতে প্রায় ২০০ কোটি টাকার পেঁয়াজ বীজ বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে বলে কৃষি বিভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। উৎপাদন খরচ বাদ দিয়েও কৃষকেরা উল্লেখযোগ্য মুনাফা অর্জন করতে পারবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।পাড়ীয়াগ্রামের কৃষক শাহা আলম বলেন, “গত ১০ বছর ধরে পেঁয়াজ বীজের আবাদ করছি। এ বছর ৮২৫ শতাংশ জমিতে চাষ করেছি। আবহাওয়া ভালো থাকলে ৪২ লাখ টাকা লাভের আশা করছি। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে।”দক্ষিণ চাড়োল গ্রামের কৃষক মো. আপেল মাহামুদ বলেন, “৭২৬ শতাংশ জমিতে চাষ করেছি। এখন পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটছে। ফলন ভালো হলে ৭০ লাখ টাকার বেশি বীজ বিক্রির আশা করছি।”পতিলাভাষা গ্রামের কৃষক অনুকূল বলেন, “গত বছর বীজের ভালো দাম পেয়েছিলাম। তাই এ বছর ৫২৮ শতাংশ জমিতে বীজ উৎপাদন করছি।”উপজেলা কৃষি অফিস বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পেঁয়াজ বীজের এই ‘কালো সোনা’ই বদলে দিতে পারে বালিয়াডাঙ্গীর কৃষকদের অর্থনৈতিক জীবন চিত্র।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025

: :