1. admin@pratidindurnitirtalash.com : pratidindurnitirtalash : pratidindurnitirtalash
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৩ অপরাহ্ন

তদবির ও আইন বানিজ্যে সহোদর দুই আওয়ামী ডেভিল

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৭৪ Time View

তদবির ও আইন বানিজ্যে সহোদর দুই আওয়ামী ডেভিল

মোঃ আব্দুর রব : সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি

পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা যখন কারাগার, আত্মগোপন কিংবা দেশান্তরী—ঠিক তখনই সিলেট মহানগরীতে এক ভিন্ন বাস্তবতা দৃশ্যমান।

অভিযোগ উঠেছে, সিলেটে আওয়ামী লীগের দুই সহোদর ডেভিল রাজনৈতিক খোলস পাল্টিয়ে আইন ও মামলা বাণিজ্যে মেতে ওঠেছেন।

দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন আদালত পাড়াসহ বিভিন্ন থানা ও প্রশাসনিক কার্যালয়ে।

তাদের এহেন অপতৎপরতায় তারা যেনো অপ্রতিরোধ্য |

সূত্রের দাবি, সিলেট সদর কোতোয়ালি মডেল থানা এখন কার্যত এই দুই ভাইয়ের প্রভাববলয় কেন্দ্র।

দিনের অধিকাংশ সময় থানাপ্রাঙ্গণে অবস্থান করে তারা পুলিশের একটি অংশকে ব্যবহার করে চালাচ্ছেন—
আইন বাণিজ্য, তদবির বাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও মামলাবাণিজ্য।

এছাড়াও টেন্ডার সিন্ডিকেট, জবরদখল ও ভূমি দখলেও পিছিয়ে নেই।

তারা হচ্ছেন,সিলেট মহানগর তাঁতী লীগের ত্রাণ-পুনর্বাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদকএনামুল হক খুর্শেদ ও তার ভাই সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ফজলুল হক মুর্শেদ।

ভুক্তভোগিরা জানান, খুর্শেদ ও মুর্শেদ নিরীহ সাধারণ মানুষদের একের পর এক মামলায় জড়িয়ে ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করছেন। মামলা, হামলা ও মৃত্যুর ভয়কে তারা চাঁদাবাজির প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন।

অভিযোগ রয়েছে, খুর্শেদ ও মুর্শেদ প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করেও তারা নির্বিঘ্নে চলাফেরা করছে।

প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে প্রকাশ্য হুমকি দিলেও তাদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই।

এতে করে নগরজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ভয় ও আতঙ্কল।

রাজনৈতিক সূত্র জানায়, মুর্শেদ ও খুর্শেদ বিগত দিনে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধরী বলয়ের ঘনিষ্ঠ ও আশীর্বাদপুষ্ট হওয়ায় অস্ত্রবাজি থেকে দখলবাজি—সবকিছুই ছিল তাদের নিত্যদিনের কাজ।

স্বৈরাচার পতনের পরও সেই নেটওয়ার্ক অক্ষত থাকা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এই দুই ডেভিল আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে আজও সিলেট মহানগরীর অনেক কিছুই তারা নিয়ন্ত্রণ করছেন,যা কার্যত নগরবাসীর জন্য অশনিসংকেত।

সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো—স্থানীয় বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের একটি অংশ নীরব সমঝোতায় এই চক্রের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে।

আদর্শ নয়, বরং স্বার্থই এখানে রাজনীতির একমাত্র চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কোতোয়ালি থানা কিংবা সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সচেতন নাগরিক সমাজ বলছে, অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নিলে সিলেট নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দিকে ধাবিত হতে থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025

: :