
সাদুল্লাপুরের ইদিলপুরের কোনাপাড়ায় যুবদলের আঞ্চলিক কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন
উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে জনতার হৃদয় স্পর্শ করলেন অধ্যাপক ডা. ময়নুল হাসান সাদিক
সাদুল্লাপুর(গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের কোনাপাড়া গ্রামে আয়োজন করা হয় যুবদলের নতুন আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
উদ্বোধন করেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি ও গাইবান্ধা–৩ (সাদুল্লাপুর–পলাশবাড়ী) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, সাদুল্লাপুরের কৃতি সন্তান অধ্যাপক ডা. ময়নুল হাসান সাদিক।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও গাইবান্ধা বার অ্যাসোসিয়েশনের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাড. আব্দুল হালিম প্রামাণিক,জেলা ওলামাসায়েক দলের সদস্য সচিব আমজাদ কাজী,সাদুল্লাপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুস ছালাম মিয়া,যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাইদুল ইসলাম মিঠু ও মাসুদ মিয়া , ইদিলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহারুল হুদা, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ও সাংগঠনিক সম্পাদক লেবু মন্ডল,যুবদলের আহবায়ক, সদস্য সচিব, ধাপেরহাট ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ শেখ
এছাড়াও বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ-সহযোগী বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার সাধারণ মানুষ বিপুল সংখ্যক উপস্থিত ছিলেন।
“উন্নয়ন চাইলে ক্ষমতা প্রয়োজন, আর সেই ক্ষমতা দেয় জনগণ”—
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. ময়নুল হাসান সাদিক বলেন—
“মাদক, দুর্নীতি ও বেকারতামুক্ত সাদুল্লাপুর–পলাশবাড়ী গড়তে চাই। যদি মনে হয় আমার চেয়ে যোগ্য কেউ আছে, তাকে ভোট দিন। আর যদি মনে করেন এলাকার সন্তান হিসেবে আমি যোগ্য, তাহলে আমাকে আপনাদের মূল্যবান ভোট দেবেন।”
তিনি আরও বলেন—
“ইতিপূর্বে একজন ডাক্তারের হাত ধরে এই অঞ্চলে উন্নয়ন এসেছে। আমার হারানোর কিছু নেই, পাওয়ারও কিছু নেই। জীবনের বাকি সময় আপনাদের সেবা করেই মরতে চাই।”
“রাস্তা, ব্রিজ, কালভার্ট, শিক্ষা, চিকিৎসা, বেকারত্ব—এসব সমস্যার সমাধানে ক্ষমতা দরকার। সেই ক্ষমতা আমার হাতে নেই; আপনাদের ভোটই দিতে পারে সেই ক্ষমতা। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আপনাদের সাথে বেঈমানী করবো না।”
সাদিক ভাই হাস্যরসাত্মক ভঙ্গিতেও ভোটারদের উদ্দেশে বলেন—
“এক উপজেলায় আমার বাপের বাড়ি, আরেক উপজেলায় শ্বশুরবাড়ি—দুই উপজেলার মানুষই আমার আপন। পলাশবাড়ীর মানুষ তো ভোট দেবে-ই, কারণ সেখানে আমার শ্বশুরবাড়ি। এখনকার দিনে জামাইকে স্ত্রী-ই তো বেশি নিয়ন্ত্রণ করে।”
তিনি আরও বলেন—
“আমি যোগ্য বলেই বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের জেলা সভাপতি হতে পেরেছি—এটা আপনাদের গর্ব। সুযোগ পেলে গাইবান্ধা–৩ আসনে ৩২ দফা উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবো,ইনশাআল্লাহ
“তোমার আমার মার্কা—ধানের শীষ মার্কা,
সাদিক ভাইয়ের মার্কা—ধানের শীষ মার্কা।”
নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনগণের উপস্থিতি ও উচ্ছ্বাসে কোনাপাড়া গ্রাম যেন পরিণত হয় উৎসবমুখর মিলন মেলায়।
যুবদলের নতুন কার্যালয় উদ্বোধনের মাধ্যমে এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রাণ ফেরারও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন নেতারা।
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply