1. admin@pratidindurnitirtalash.com : pratidindurnitirtalash : pratidindurnitirtalash
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন

নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনাল-১- রংপুর এর জারিকারক মাসুদ রানার বিরুদ্ধে মামলার বাদীর সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
  • ২৫ Time View

নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনাল-১- রংপুর এর জারিকারক মাসুদ রানার বিরুদ্ধে মামলার বাদীর সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

রংপুরের নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর এক অফিস স্টাফের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন সম্পর্ক বজায় রাখা এবং পরে বিয়ে করেও স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযুক্ত মো. মাসুদ রানা (৪০) জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর বড়গাছা গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি প্রায় ১০ বছর আগে সোয়াদ বিজনেস লাইন লিমিটেডের আওতায় আউটসোর্সিংয়ে ভিত্তিতে রংপুর জেলা আদালতে জারিকারক পদে যোগ দেন।

শনিবার (১১ জুলাই) মির্জাপুর গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাসুদ রানার বাবা-মা বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। প্রতিবেশীরা জানান, চাকরি পাওয়ার পর থেকে তার আচরণে পরিবর্তন আসে। ঘরে স্ত্রী-সন্তান থাকা অবস্থায় তিনি রংপুরে আরেকটি বিয়ে করেছেন বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। এ ঘটনায় বিভিন্ন সময় লোকজন তার বাড়িতে এলেও তাকে না পেয়ে ফিরে গেছেন। মাসুদ রানা পাশের নওগাঁ জেলায় বিয়ে করেছেন তার ঘরে দুটি সন্তান রয়েছে৷ তবে এ বিষয়ে তারা এর বেশি কিছু জানাতে পারেনি।

লিখিত অভিযোগে যানা যায়, রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলার চাপড়া পাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোছা. রোকসানা আক্তার রাত্রি ২০২০ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন ও যৌতুক সংক্রান্ত একটি মামলার (নারী-৩০৭/২০) সূত্রে নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর অফিস স্টাফ মাসুদ রানার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। মামলাটি এখনও বিচারাধীন রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার বিষয়ে সহযোগিতার একপর্যায়ে মাসুদ রানা তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেন এবং তাকে ও তার সন্তানকে দেখাশোনার আশ্বাস দেন। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়। দীর্ঘ ছয় বছর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণের পর ২০২৬ সালের ১৭ জানুয়ারি ১০ লাখ ১ হাজার ১০১ টাকা দেনমোহর ধার্য করে তাদের বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পর অল্প কিছুদিন একসঙ্গে থাকার পর মাসুদ রানা তাকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দেননি এবং কোনো দায়িত্বও পালন করেননি। কাবিননামা চাইলে তিনি ও সংশ্লিষ্ট কাজী তা দিতে অস্বীকৃতি জানান বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে মাসুদ রানা ও তার পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। পরে ক্ষোভে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের বিয়ের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন। তবুও কোনো প্রতিকার না পেয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এবং স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাসুদ রানার ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সে আমাকে প্রলোভনে ফেলে বিয়ে করেছে। আমি তাকে তালাক দিয়েছি এবং দেনমোহরের টাকা পরিশোধ করেছি। আপনারা রংপুরে এসে খোঁজ নিন। তবে তালাকের নথি বা দেনমোহর পরিশোধের কোনো কাগজপত্রের অনুলিপি চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি।

রোকসানা আক্তার রাত্রি সাংবাদিকদের বলেন,আদালত সাধারণ মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল। আমার একটি পারিবারিক মামলা চলমান থাকার সুবাদে মামলার আবেদনে থাকা মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে মাসুদ রানা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। একপর্যায়ে আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং পরে বিয়ে হয়। তিনি নিজেকে অবিবাহিত বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। আমি তার কথায় বিশ্বাস করি। জজ স‍্যারকে বলে আমার রায় পাইয়ে দেবে এই সুযোগে আমাকে ফাঁসিয়েছে আমার আগের স্বামীর দেনমহর ও গার্মেন্টসে চাকরি মিলিয়ে প্রায় ৭ লাখ টাকা কৌশলে নিয়েছে৷ আমার দায়িত্ব নেবে বলে চাকরি ছারতে বলছে বিয়ের পর তার সংসারে নেয় না আমাকে দুইদিন হোটেলে নিয়ে গেছে৷ আমি আশঙ্কা করছি, আমার মতো আরও অনেক নারী তার প্রতারণার শিকার হতে পারেন। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

রংপুর জেলা বার কাউন্সিলের সভাপতির রুবেলের
ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়াই বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি,,,,,

রংপুর নারী ও শিশু ট্রাইবুনাল ১ এর পেসকার কান্তি সরকারে ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন ভুক্তভোগী এক নারী আমার স্যারের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন৷ যেহেতু মাসুদ রানা আউটসোর্সিং এ চাকরি করেন৷ আমার স্যার ওই আউটসোর্সিং কোম্পানির মালিকের সঙ্গে কথা বলেছেন বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে৷ ভাই আমি এই কোর্টে কয়েক মাস হল এসেছি৷ আমার নামটা না দেওয়াই ভালো৷

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রংপুর জেলা আদালতের অ্যাডভোকেট ময়না বলেন, এ ধরনের একটি অভিযোগের কথা আমি শুনেছি। আদালতে বিচারপ্রার্থী নারীদের সঙ্গে এমন আচরণ আদালতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

বিজনেস লাইন লিমিটেডের আওতায় আউটসোর্সিং এর
শতাব্দীকারি মাজহারুল ইসলাম বলেন আমি সাপ্লাই দিয়েছি জেলাও দায়রা জজ আদালতে রংপুরে ওই ছেলের যদি কোন অপকর্ম বা অনিয়ম করে থাকে দেখার বিষয় সম্পূর্ণ ওনার যেহেতু উনি বিচক্ষণ মানুষ বিষয়টি সুন্দর ভাবে তদারকি করে ব্যবস্থা নেবেন৷ ওই ভুক্তভোগী মহিলা আমারেও ফোন দিয়েছিলেন ৷
#photography #foryouシ #public #viralpost

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025

: :