
বগুড়ার চাঞ্চল্যকর মুন্না হত্যা মামলার প্রধান আসামি র্যাবের হাতে গ্রেফতার।
মোঃ ইসমাঈল হোসেন,বগুড়া জেলা প্রতিনিধি।
বগুড়ার চাঞ্চল্যকর আরিফুল ইসলাম মুন্না(৪৩) হত্যা মামলার প্রধান আসামী সাইউম (৩৬) কে ক্রাইম প্রিভেনশন স্পেশালাইজ্ড কোম্পানী(সিপিএসসি)বগুড়া,র্যাব-১২ ও ঢাকা উত্তরা র্যাব-১,এর যৌথ অভিযানে ঢাকার তুরাগ থানাধীন হানিফ আলীর মোড়, কামারপাড়া, পুরাতন বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
বগুড়া,র্যাব-১২ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে,উল্লিখিত হত্যা মামলার ০১ নং আসামী গ্রেফতার এড়াতে ঢাকার তুরাগ থানাধীন হানিফ আলীর মোড়,কামারপাড়া,পুরাতন বাজার এলাকায় অবস্থান করছে।উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১২,অধিনায়ক মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় ঢাকা উত্তরা,র্যাব-১ এর সহযোগিতায় তাকে গ্রেফতার করে।
উল্লেখ্য যে,এজাহারের বর্ণনামতে, ভিকটিম আরিফুল ইসলাম মুন্না (৪৩)পিতা-মৃত ইয়াছিন আলী খন্দকার, সাং-ফাঁপোড় খন্দকারপাড়া, ইউপি-ফাঁপোড়, থানা ও জেলা-বগুড়া ০১নং আসামী সাইউম (৩৬)পিতা-মৃত আজিজার রহমান, সাং-ফাঁপোড় শাহার পুকুর,থানা-বগুড়া সদর এর সহিত মাদক ব্যবসায়ে লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে মনোমালিন্য চলে আসছিল এবং ভিকটিম আসামীর বিরুদ্ধে আদালতে একটি চেকের মামলা দায়ের করেছিলেন।চেকের মামলা দায়ের করার পর থেকে আসামীগণ বিভিন্ন সময়ে ভিকটিমের বসতবাড়ীর সামনে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করাসহ মারপিট করে খুন জখম করিবে মর্মে হুমকী প্রদান করেন।এরই ধারাবাহিকতায় ২৩ মার্চ’২৬(সোমবার)রাত আনুমানিক ১০:৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিম নিজ বাড়ী থেকে ফাঁপোর উচ্চ বিদ্যালয়ের পার্শ্বে জনৈক রুবেল এর দোকানে মালামাল ক্রয় করে নিজ বাড়ীতে রওয়ানা করিলে ফাঁপোর গ্রামস্থ খন্দকারপাড়া পুরাতন মসজিদের পশ্চিম পার্শ্বে ফাঁকা জায়গায় পাকা রাস্তার উপর পৌঁছমাত্র আসামীগন পথরোধ করে ধারালো বার্মিজ চাকু দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে ভিকটিমের নাভিতে আঘাত করে পালিয়ে যায়। ভিকটিম দৌড়ে নিজ বাড়ীতে আসলে গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় ভিকটিমের স্ত্রী মোটর সাইকেল যোগে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪মার্চ’২৬(মঙ্গলবার)সকাল ১০.০০ ঘটিকার সময় ভিকটিম মৃত্যু বরণ করেন। পরবর্তীতে ভিকটিমের স্ত্রী মোছাঃ নিলুফা ইয়াসমিন(৪১) বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।বগুড়া, র্যাব-১২ গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করেন।
বগুড়া, র্যাব-১২ এর স্কোয়াড্রন লীডার ফিরোজ আহমেদ,এটিসি বলেন র্যাবের এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরো জোরদার করা হবে। আইন শৃংখলা বাহিনীর এ ধরনের তৎপরতা বাংলাদেশকে একটি অপরাধমুক্ত দেশ হিসাবে গড়ে তুলতে পারবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply