
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে আদালতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ক্রয় কৃত জমি ও গাছ কর্তন জবরদখলের অভিযোগ
মোঃ সাইফুল ইসলাম বালিয়াডাঙ্গী ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি,
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৮ নং ওয়ার্ডের ঠুমুনিয়া মৌজায় জে এল নং ১৪ খতিয়ান ভুক্ত ক্রয় কিত জমি ও জবাব দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে একোই ইউনিয়নের উপজেলার ৩ নং ধনতলা ইউনিয়নের ঠুমনিয়া গ্ৰামের আজির উদ্দিন এর পুত্র, বজির উদ্দীন, তজিবর রহমান , মকবুল হোসেন, ব্যক্তি বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জমির মালিক ও বাসিন্দারা। ক্রয় কৃত জমির মালিক মোঃ সিরাজুল ইসলাম ১৯৮৫ সাল থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে ৪ টি রেজিস্ট্র কবলা দলিল মুলে ১৯৯৬ সালে ক্রয় করে মালিকানা লাভ করে। বাদি সিরাজুল ইসলাম উক্ত জমি নিজ নামে নামজারি খারিজ খতিয়ান ভুক্ত করে নিয়মিত সরকারী খাজনা পরিশোধ করে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ভোগ দখল করে আসছে। এবং জমিতে মেহগনি গাছ রোপণ সহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করে আসছেন। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বিবাদী বেআইনি ভাবে নালিশী জমিতে প্রবেশ করে বাদি সিরাজুল ইসলাম কে বেদখল ও রোপণ ক্রত গাছ পালা কেটে নিয়ে চলে যায়। ক্রয় কৃত মালিক সিরাজুল ইসলাম বলেন দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে এই জমিতে আবাদ করে আসছি। সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন আমার ক্রয় কৃত জমি বিভিন্ন কৌশলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা চালছে তাঁর দীর্ঘ দিন ধরে । এ কাজে প্রভাব খাটানো, বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন এবং স্থানীয়দের ওপর চাপ সৃষ্টির অভিযোগও তোলা হয়েছে। জমির প্রকৃত মালিকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা আইনগতভাবে জমির মালিকানা ভোগ করে আসছেন এবং তাদের কাছে প্রয়োজনীয় দলিলপত্র ও ঠাকুরগাঁও জেলা জজ কোর্টের রায়ের কাগজের কপি ও রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে কয়েকজন ভুক্তভোগী প্রকাশ্যে অভিযোগে তুলে ধরেন। তারা দাবি করেন, দলিল ও রেকর্ডে মালিকানা স্পষ্ট থাকার পরও বিভিন্নভাবে জমি দখলের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্ত ভোগী পরিবার ।
ঘটনাটি ঘটে (৬ আগষ্ট ) বিকাল চারটার দিকে । পড়ে অভিযোগ কারীর ছেলে আবুল খায়ের বালিয়াডাঙ্গী থানার ফোন করলে বালিয়াডাঙ্গী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তৎখানিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
তবে ত্যখানিক নালিশী জমি-সংক্রান্ত বিবাদির অভিযোগের বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা জরুরি। একই সঙ্গে সিরাজুল ইসলাম ১৯৯৬ সাল থেকে ক্রয় করে ৩০ বছর ধরে ভোগ দখল করে আসছে। ক্রয় কৃত জমির মালিক সিরাজুল ইসলাম ও তার ছেলে জমির অধিকার রক্ষায় প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply