
অবশেষে জট খুলতে চলছে।
র-এজেন্ট M.B.S এর সাথে যোগাযোগের স্বীকারোক্তি দিয়েছে সদ্য গ্রেফতার হরিদাস চন্দ্র দাস।
যদিও বিস্তারিত কিছু না জানাতে চাইলেও M.B.S এর সাথে ২৪ সাল থেকেই পরিচয় বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
গত মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে M.B.S.-কে পলাশবাড়ী সরকারি কলেজের পিছে বাবলুর চা-দোকানে হরিদাসের সাথে তাকে দেখা করতে দেখা যায়।
নজরদারি এড়াতে তারা অনেক সময় সরাসরি বাড়িতে মিলিত না হয়ে কদমতলা মোড়ের একটি ফার্মেসির ডাক্তার চেম্বারে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করতো।
তার আগে ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৪৫ মিনিটে একটি পালসার বাইকে করে নিজেই চালিয়ে আসতে দেখা যায় M.B.S. কে।
যেখানে অপেক্ষারত হরিদাসকে সঙ্গে নিয়ে চৌমাথা থেকে সোজা মনোহরপুর যাওয়ার ভেতরের কাঁচা রাস্তায় কালভার্টের ওপর বাইক দাঁড় করিয়ে কাউর জন্য অপেক্ষা করছিলো, কিন্তু কেউ আর আসেনি।
৫-৭ মিনিট অপেক্ষার পর তারা সরাসরি পলাশবাড়ি-গাইবান্ধা সড়ক ধরে কিশোরগাড়ীর দিকে চলে যায়।
রাতে দিঘলকান্দিতে হরিদাসের ছোট ভগ্নীপতির বাসায় উভয়েই অবস্থান করে।
এর পরেদিনই হিলি সীমান্ত রুট দিয়ে M.B.S. ভারত গমন করে এবং এর ৬ দিন পর ফিরে এসে পুনরায় নির্মানাধীন রাম ম’ন্দি’র সংলগ্ন একটি তিন তলা বাড়িতে দুইদিন অবস্থান করে।
যেখানে পরের দুপুরে ডিনারে স্থানীয় জনৈক সংসদ সদস্যের আস্থাভাজন এক রাজনৈতিক ব্যক্তির উপস্থিতি পাওয়া যায়।
সর্বশেষ ২৯ এপ্রিলেও মানিকগঞ্জে হরিদাস ও বিতর্কিত রা’ম ম’ন্দি’র কমিটির ৩ সদস্যের সাথে উক্ত M.B.S কে ডিনার ও ঘন্টাব্যাপী বৈঠকে দেখা যায়।
ঠিক এর দুই সপ্তাহ পরেই উক্ত দুই ভারতীয় এজেন্ট (M.B.S ও M.B.) বান্দরবানের লামায় গমন করে এবং সেখানে হরিদাসের পরিচিত এক ব্যাংকারের সাথে সাক্ষাৎ হয়।
যা খুব শিগগিরই বিস্তারিত সামনে আনা হবে।
আপাতত এতটুকুই।
— সাংবাদিক রহমান
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply