
সিলেট-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা হয়নি বিএনপির যেকোনো ব্যক্তিকে ধানের শীর্ষ না দিলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হবে মামুনুর রশিদ মামুন (চাকসু)
মোঃ আব্দুর রব : সিলেট বিভাগীয় প্রধান
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সিলেট বিভাগের ১৯টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৪ টি আসনে তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে কিন্তুু ০৪টি আসনে প্রার্থীর নাম এখনো করা হয়নি|
এর মধ্যে ০১টি আসন সিলেট-৫, এই আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচন করার পুর্ণ প্রস্তুতি নেওয়ার ইঙ্গিত প্রাপ্ত হয়ে সাবেক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা, সাবেক কানাইঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সিলেট জেলা বিএনপির বর্তমান, ১ম সহ-সভাপতি, মামুনুর রশিদ মামুন (চাকসু) সিলেট ৫ আসনটি বিএনপির ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী ডেলে সাজাইয়াছেন, এমনকি তিনি পূর্ব হইতে উক্ত আসনে সংসদ সদস্য হিসাবে বিএনপি থেকে নির্বাচন করার জন্য, বিএনপি নেতা কর্মী ও পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন, আওয়ামী লীগের সরকার আমলে এই আসনে বিএনপির ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীর উপরে যে সকল মামলা-মোকদ্দমা হয়েছে, সকল মামলা মোকদ্দমা পরিচালনা করতে গিয়ে যেসব টাকা-পয়সা খরচ হয়েছে সম্পূর্ণ তিনি বহন করেছেন, ১৯৯৬ সাল থেকে সিলেট-৫ আসন থেকে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ইচ্ছা পোষণ করিয়া জিতেছেন, সর্ব শেষ ২০১৮ তাহাকে বিএনপি’র পক্ষ থেকে মনোনয়ন দেওয়ার পর, কেন্দ্রীয় কমিটি তাহাকে ডেকে নিয়ে বিএনপি জোটের স্বার্থে উক্ত আসন টি ছাড়ার জন্য অনুরোধ করিলে, তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির অনুরোধ রাখেন, তখন কেন্দ্রীয় কমিটি উনাকে কথা দিয়েছিল পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে সিলেট -৫ আসন থেকে তাহাকে জোট বা বিএনপির দলীয় প্রার্থী দেওয়া হবে মর্মে আশ্বস্ত করা হয় |
“”কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ”” বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতকর্মী গড়তে ও মামলা মোকদ্দমা থেকে তাদের জামিন এবং অসুস্থ হলে ঔষধ, পরিবারের খোঁজ খবর রাখা, দুটি উপজেলায় ইফতার মাহফিল, দুটি পৌরসভায় ইফতার মাহফিল , প্রতিটি পৌর ওয়ার্ডে ইফতার মাহফিল, ১৮ ইউনিয়নের ইফতার মাহফিল কানাইঘাট ও জকিগঞ্জের ৯১টি ওয়ার্ডে ইফতার মাহফিল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পক্ষ থেকে মামুনুর রশিদ মামুন (চাকসু) তাহার নিজ তহবিল থেকে নিজ অর্থ ব্যয় করেন |
তাছাড়া কানাইঘাট জকিগঞ্জ এলাকার বিভিন্ন স্থানে ফুটবল টুর্নামেন্ট এবং নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার অর্থ ব্যয় করেন,,
জেলা বিএনপির ১ম সহ-সভাপতি হিসাবে জেলার বিভিন্ন প্রোগ্রামে দুটি উপজেলা থেকে চার- চারটি গাড়ি দিয়ে উপজেলা ও পৌরসভার নেতা কর্মী গণ জেলা পর্যন্ত পৌঁছাতে এর খরছ তিনি বহন করতেন |
সব কিছু মিলিয়ে এখন দেখা যাচ্ছে কানাইঘাট জকিগঞ্চ বিএনপি মানেই মামুনুর রশিদ মামুন (চাকসু) কেন্দ্রীয় কমিটির সিলেট -৫ আসনে মামুনুর রশিদ মামুন (চাকসু)কে বিএনপির দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা উচিৎ |
একাধিক সুত্র জানা যায় কেন্দ্রীয় কমিটি যদি এই আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী না দিয়ে ২০১৮ সালের শরিক দল অথাৎ জোটের প্রার্থীকে দেওয়া তবে কানাইঘাট ও জকিগঞ্চ বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী মামুনুর রশিদ মামুন (চাকসু) নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী নিয়ে জাতীয় নির্বাচন করবে,
কারণ দুটি
(ক) বিগত জাতীয় নির্বাচনে কে কেন্দ্র করে বিএনপির ও তার অঙ্গ সংগঠনে নেতাকর্মীদের উপর অনেক মামলা মোকদ্দমা হয়েছে সকল মামলা মোকদ্দমা মামুনুর রশিদ মামুন (চাকসু) তাহার নিজ অর্থায়ানে সকল কে জামিনে মুক্ত করার, ও তাদের পরিবারে লোকজনের খুঁজ খবর রাখেন,
কিন্তু জোটের প্রার্থী কোন খুজ খবর নেন নাই এমনকি এলাকায় আসেন নুন্যতম দুঃখ প্রকাশ করেন নাই
(খ) কানাইঘাট ও জকিগঞ্চ সিলেট-৫ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মরহুম আবুল হারিছ চৌধুরী এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মী তৈরী পারেন নাই,
এককথায় হারিছ চৌধুরী আমলে বিএনপি কানাইঘাট জকিগঞ্চ ছিল নাম মাত্র,
বর্তমানে সিলেট বিভাগের মধ্যে প্রথম সারিতে কানাইঘাট জকিগঞ্চ বিএনপি, এর পিছনে একমাত্র মামুনুর রশিদ মামুন (চাকসু) অবদান ||
মামুনুর রশিদ মামুন (চাকসু) শুধু বিএনপির নেতা নন এখন তিনি কানাইঘাট ও জকিগঞ্চ মাটি ও মানুষের নেতা হয়ে দাঁড়িয়েছেন |
বিএনপি যদি মামুনুর রশিদ মামুন (চাকসু) দলী প্রার্থী না দেয় তবে কানাইঘাট জকিগঞ্চ উপজেলার বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠন নেতাকর্মীরা এবং সাধারণ মানুষ মামুনুর রশিদ মামুন (চাকসু) নিয়ে নির্বাচন করবে বলে জানা যায় |
এই আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা পর পর তাহা জন সম্মুখে প্রকাশিত হবে |
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply