
গাইবান্ধায় বালু ব্যবসায়ীদের দখলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ শহর রক্ষা বাঁধ
সাংবাদিক রতন মন্ডল গাইবান্ধা
দীর্ঘদিন যেতে ঘাঘট নদীর ট্রীজ সংলগ্ন ডান-কীয় ও বাম তীর ঘেষে বালু ব্যবসায়ী ও যোগগেট মালিকরা প্রানিউন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) এর অধিগ্রহনকৃত জায়গা নিজেদের দখলে নিয়ে রমরমা বাপু ব্যবসা পরিচালনা করে আনছে। এসব বালু বাপুর নদীর চর বেঁটে বড় নৌকা ও যোগগেটের সাহায্যে নিয়ে আসে এবং তা স্বপ করে রাখা হয় সংলগ্ন ঘাঘট নদীর জীয় যেয়ে পানিউন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) এর অধিগ্রহনকৃত) জায়গায়। প্রতিনিয়ত যাদু বোঝাই মাহিম ট্যাক্টর, কাকড়া, ট্রাক ও ট্রপির অবাধে চলাচল করার পহর রক্ষা বাঁধের বিচ্ছিন্ন দহানে দেখা দিয়েছে কাটল। পথচারীরা জানান, যেকোন মুহুর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ছাড়াও অঙ্ক মৌসুমে এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াতে দম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উপক্রম হয়। মাস্ক পড়েও দুগাবাশি আটকানো যায় না। পাশ্ববর্তী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বালুর স্থল থেকে বালু
উড়ে এসে আমাদের নাক-মুখ দিয়ে পরীরের ভিতরে প্রবেশ করে কালি, বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগের সৃষ্টির
হচ্ছে। আমায়া এসবের থেকে প্রতিকার চাই। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন থেকেই অবৈধভাবে এসব বালু বহ্মপুত্র নদী থেকে উত্তোলন করে যোলগেট ও বড় নৌকাযোগে নিয়ে আসে যায়ট নদীতে। পরে তা নির্ভ ব্রীজ সংলগ্ন বাঁধের জায়গা দখল যদুর তপ গড়ে ভেজালেন। নির্বিঘ্নে নিনয়াত অর্থী দাপটের সাথে সঙ্গ, লক্ষ টাকার লেনদেন করে আসছে বালু ব্যায়নারী নিভিয়েট ও বোল্ডগেট মালিকরা। নাম প্রকাশে অনিল্লুক ব্যক্তি জানান, কুড়িগ্রাম জেলার টিপমারি উপজেলার বাসু মহাল থেকে এসব বালু না নিয়ে বহ্মপুত্র নদী থেকে চোরাইজাবে নকল রশিদ স্কুলে নিয়ে আসায় এবং সরকারের আনারকৃত ঘাটে না নেয়ার কারণে সরকার দু’দিক থেকে রাজস্ব হারাচ্ছেন কোটি কোটি টায়। ব্যবস্হ্য নিতে জেলা প্রদানকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল।
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply