1. admin@pratidindurnitirtalash.com : pratidindurnitirtalash : pratidindurnitirtalash
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন

ভালোবাসার কোন বয়স নেই।

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
  • ২১ Time View

ভালোবাসার কোন বয়স নেই।

অবিশ্বাস্য এক প্রেম কাহিনী, ভিডিও টা দেখে পুরাই মাথা ন’ষ্ট, ভালোবাসার টানে পরিবারকে না জানিয়ে ঢাকা থেকে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে রাজবাড়ীর পাংশায় চলে এসেছে পঞ্চম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া দুই অবুঝ প্রেমিক-প্রেমিকা।
বয়স কত হবে ১০/১১ বছর। তবে শেষ রক্ষা হয়নি তাদের ; পাংশা মডেল থানা পুলিশের সন্দে’হের জেরে বর্তমানে তারা পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। তাদের সঙ্গে এসেছে প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া তাদের এক বন্ধুও।

জানা যায়, ঢাকার মিরপুরের একটি বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ালেখা করে মোহাম্মদ রাহুল। সে পড়াশোনার পাশাপাশি হোটেলেও কাজ করেন।পিচ্চি ছেলেটার বাপের হোটেল মেয়েটা নাস্তা কিনতে যাইতো প্রতিদিন সকালে।
মাহি একই এলাকার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী । সেখান থেকেই মাহির প্রতি এক ভালো লাগা তৈরি হয় রাহুলের। পরবর্তীতে এক বন্ধুর মাধ্যমে মাহিকে প্রেমের প্রস্তাব পাঠান রাহুল। প্রথম তিনবার মাহি তা প্রত্যাখ্যান করে, চতুর্থবারের চেষ্টায় অবশেষে রাজি হয় মাহি। এরপর গত এক বছর ধরে চলছিল তাদের এই প্রেমের সম্পর্ক।

রাহুলের বয়স মাত্র ১১ বছর আর মাহির বয়স মাত্র ১০ বছর। এদের মধ্যে এদের আবার প্রেমের সম্পর্ক ১ বছরের,ভাবা যায়। বয়স কম হওয়ায় দুই পরিবারই তাদের এই সম্পর্ক কোন ভাবেই মেনে নেয়নি। এর জের ধরে গত শুক্রবার রাহুল ও মাহি তাদের বন্ধু প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া রোজানের সহায়তায় বাড়ি থেকে পালিয়ে আসে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে। এরপর তাদের পরিবার বিভিন্ন স্থানে সন্তানদের খোঁজাখুঁজি করলেও তারা কোনো সন্ধান পায়নি।

রাহুল এবং মাহি নিজেদের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে তাদের বন্ধুকে নিয়ে গত সোমবার দিবাগত রাতে ঢাকা থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে রাজবাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।মঙ্গলবার ভোর চারটার দিকে অ্যাম্বুলেন্সটি রাজবাড়ীর পাংশা সরদার বাসস্ট্যান্ডে এসে পৌঁছায়। গভীর রাতে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে এত ছোট শিশুদের দেখে টহল পুলিশের মনে স’ন্দেহ হয়। পরে পাংশা মডেল থানা পুলিশ তাদের উ’দ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে প্রেমিক-প্রেমিকা পুলিশের কাছে নিজেদের প্রেমের কথা স্বীকার করেন। তারা জানায়, “আমরা দুজন দুজনকে ভালোবাসি এবং বিয়ে করতে চাই। পরিবার রাজি না হওয়ায় বাড়ি থেকে আমরা পালিয়ে এসেছি। আমাদের বিয়ে না দিলে আমরা আ//ত্ম//হ//** করব।” তবে তাদের সঙ্গে আসা বন্ধু রোজান জানায়, সে এই পালিয়ে আসার মূল কারণ আগে জানত না। ঢাকা থেকে রওনা হওয়ার পর সে পুরো বিষয়টি বুঝতে পারে।

পরবর্তীতে পুলিশ ওই শিশুদের কাছে থাকা মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে।

এদিকে পিচ্চি মেয়েটা বলে ‘ওর সাথে আমার বিয়ে না দিলে আমরা মা**রা যাবো! বাঁচবো না! ও আমাকে খুব ভালোবাসে,আমিও ওকে অনেক ভালোবাসি!’প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নিলে আমরা দুনিয়া থেকে চলে যাবে!!!!

এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানার (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, ভোররাতে স’ন্দেহজনক অবস্থায় একটি অ্যাম্বুলেন্স থেকে আমরা এই তিন শিশুকে উ’দ্ধার করি। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তাদের মধ্যে দুজন প্রেমিক প্রেমিকা এবং তারা ঘর ছেড়ে পালিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মূলত অ’প্রাপ্ত বয়সে মোবাইল ফোনের অপব্যবহার এবং বাবা-মায়ের অসচেতনতা ও সঠিক নজরদারির অভাবেই কোমলমতি শিশুরা আজ এই বয়সেই এমন বিপথগামী ও অ’নাকাঙ্ক্ষিত পদক্ষেপের দিকে পা বাড়াচ্ছে। সন্তানদের প্রতি অভিভাবকদের আরও বেশি যত্নশীল ও সচেতন হওয়া জরুরি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025

: :