1. admin@pratidindurnitirtalash.com : pratidindurnitirtalash : pratidindurnitirtalash
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন

জনাব কামরুল ইসলাম, পিতা সোলায়মান আলী, মাতা কোহিনুর বেগম, গ্রাম মসিন্দা, ডাক শিকারপুর, থানা গুরুদাসপুর , জেলা নাটোর

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
  • ২৬ Time View

জনাব কামরুল ইসলাম, পিতা সোলায়মান আলী, মাতা কোহিনুর বেগম, গ্রাম মসিন্দা, ডাক শিকারপুর, থানা গুরুদাসপুর , জেলা নাটোর
বর্তমান ঠিকানা সুরমা টাওয়ার, সিলেট।
অফিস রূপালী ব্যাংক, বিভাগীয় কার্যালয়, মিরাবাজার, সিলেট প্রোগ্রামার, রেজি: নং ১৩৯৬৪, বিভাগীয় কার্যালয়, সিলেট এর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, সিলেট এর কোতোয়ালী সিআর মামলা নং ১৭৪৪/২০২৫ দায়ের হলে মাননীয় আদালত ডিবি পুলিশ কে মামলা তদন্তের নির্দেশ দিলে ডিবি পুলিশ মামলা তদন্ত সাপেক্ষে পেনাল কোডের ৩২৩/৩৮৬/৪০৩/৪০৬/৪২০/৪৬৮/৪৭১/৪৯৫/৫০৬/৩৪ ধারার অপরাধ সাক্ষ্য প্রমাণে সত্য বলিয়া প্রমাণিত হওয়ায় মাননীয় আদালত আসামি কামরুল ইসলাম ও তার পরিবারের নয়জন সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে হাইকোর্টের আগাম জামিনে ছিলেন। আগাম জামিনের মেয়াদ শেষ হলে আসামি কামরুল ইসলাম নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে গত ০৯/০৭/২৬ ইং তারিখে মাননীয় চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সিলেট এর বিচারক মো: মাহবুবুর রহমান ভুঁইয়া কামরুল ইসলামকে জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
আসামি কামরুল ইসলাম তার স্ত্রীর করা অন্য আরেকটি নারী নির্যাতন মামলায় ৩২৩/৩০৭ ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মাননীয় আদালত কর্তৃক আপোষের শর্তে জামিনে আছেন।
উল্লেখ্য উক্ত অপরাধী পুর্বের একাধিক স্ত্রী ও সন্তান থাকা সত্ত্বেও তথ্য গোপন করিয়া অবিবাহিত পরিচয়ে জাল জালিয়াতি করিয়া কাবিননামা প্রস্তুত করাইয়া প্রতারণাপূর্বক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করিয়া অসাধুভাবে জোরপূর্বক অর্থ আত্মসাৎ, গুরুতর ভয়ভীতি প্রদর্শন, শারীরিক নির্যাতন, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ ভুয়া নথিপত্র প্রস্তুত, সরকারি দলিল টেম্পারিং , নৈতিক স্খলনজনিত গুরুতর অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে।
কামরুল ইসলাম প্রথম স্ত্রীর করা নারী নির্যাতন মামলায় ও জেল হাজতে ছিলেন, ২য় স্ত্রীর করা নারী নির্যাতন মামলা ও কাবিন জালিয়াতি মামলায় পাঁচ বছর প্রমোশন বন্ধ ছিল, পানিশমেন্ট ট্রান্সফার হয়ে ঢাকা হেড অফিস থেকে সিলেটে আসেন।
মূলত কামরুল ইসলাম ও তার পরিবার একটি প্রতারক চক্র। তারা উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ও সম্পদশালী পরিবারের মেয়েদের টার্গেট করে বিয়ে করে জিম্মি করে যৌতুক দাবি, যৌতুকের জন্য মারধর করে টাকাপয়সা অর্থ সম্পদ আত্মসাৎ করা তাদের একটি ব্যবসা। কামরুল ইসলাম ২য় স্ত্রী বাপেক্সের জেনারেল ম্যানেজার, ৩য় স্ত্রী একজন বিসিএস ক্যাডার এর ৬স্ট গ্রেডের কর্মকর্তা ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025

: :