
নিয়ামতপুরে ছাত্রদল নেতা রিজভীকে ফেসবুক পেজে হেনস্তা ও মানহানির চেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ
মোঃ ওলিউল্লাহ্ , বিভাগীয় ব্যুরো চীফ ( রাজশাহী )
নওগাঁর নিয়ামতপুর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের ১নং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো: রেজুয়ান আহমেদ (রিজভী)-কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসৎ উদ্দেশ্যে হেনস্তা, চরিত্র হনন ও মানহানি করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। “নিয়ামতপুর স্বাধীন প্রেসক্লাব” নামক একটি অজ্ঞাত ফেসবুক আইডি/পেজ থেকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে তরুণ এই ছাত্রনেতার সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার পাঁয়তারা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, সম্প্রতি মো: রেজুয়ান আহমেদ রিজভী অন্য একটি ফেসবুক আইডি থেকে সংগৃহীত একটি পিস্তল সদৃশ বস্তুর স্ক্রিনশট নিজের ব্যক্তিগত আইডির স্টোরি (Story)-তে শেয়ার করেন। এটি ছিল স্রেফ বন্ধুদের সাথে নিছক মজা ও বিনোদনের অংশ, যার সাথে বাস্তব কোনো অপরাধ বা অস্ত্র সংস্কৃতির কোনো সম্পর্ক ছিল না। কিন্তু “নিয়ামতপুর স্বাধীন প্রেসক্লাব” নামক ফেসবুক পেজের অজ্ঞাতনামা পরিচালনাকারী বা এডমিন কোনো প্রকার সত্যতা যাচাই না করে বা অফিশিয়াল সোর্স ছাড়াই সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে “ছাত্ররাজনীতি, নাকি অস্ত্রের দাপট?” শিরোনামে একটি বিভ্রান্তিকর পোস্ট দেয়।
ভুক্তভোগী রেজুয়ান আহমেদ রিজভী জানান, “কোনো ভেরিফাইড বা অফিশিয়াল সোর্স ছাড়াই স্রেফ আমার ব্যক্তিগত আইডির স্টোরিকে পুঁজি করে একটি বট বাহিনী ‘নিয়ামতপুর স্বাধীন প্রেসক্লাব’ নাম ব্যবহার করে আমার এবং আমাদের সংগঠনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনেছে। এর পেছনে গভীর রাজনৈতিক চক্রান্ত ও আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”
এই ভিত্তিহীন ও বানোয়াট প্রচারণার কারণে রেজুয়ান আহমেদ রিজভী সামাজিক, পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে চরম হেয় প্রতিপন্ন ও মানসিকভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। তাঁর দীর্ঘদিনের অর্জিত সম্মান ও সংগঠনের সুনামকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য এই সাইবার বুলিং বা অনলাইন হেনস্তার পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।
ইতিমধ্যেই এই অন্যায় ও সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন ভুক্তভোগী ছাত্রনেতা। তিনি নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে তিনি উক্ত “নিয়ামতপুর স্বাধীন প্রেসক্লাব” নামীয় ফেসবুক আইডি/পেজের প্রকৃত পরিচালনাকারীকে সনাক্ত করে প্রচলিত আইন অনুযায়ী দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যেন ভবিষ্যতে কেউ এভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার করে কারো ব্যক্তিগত জীবন ও সম্মানহানি করতে না পারে।
এলাকার সচেতন নাগরিক সমাজ ও ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply