সুন্দরবনে জেলের ছদ্মবেশে ৬
চোরা হরিণ শিকারী আটক,
মোঃ সোহরাব হোসেন রতন,বাগেরহাট
বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাহের চাঁদপাই রেঞ্জের অভয়ারণ্য এলাকায় হরিণ শিকারের ফাঁদ পেতে রেখে খালে চরপাটা জাল দিয়ে মাছ ধরছিলে জেলে ছদ্মবেশী একদল শিকারী। শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ওই এলাকায় টহলরত বনরক্ষীদের বিষয়টি নজরে পড়ে। আহরণ নিষিদ্ধ অভয়ারণ্যে এলাকায় মাছ ধরার অপরাধে প্রথমে তাদের আটক করা হয়। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে হরিণ শিকারের আসল রহস্য। তাদের স্বীকারোক্তি মতে সুন্দরবনে তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয় পেতে রাখা ২০০ ফুট নাইলনের রশির তৈরি হরিণ শিকারের ফাঁদ। এছাড়াও জব্দ করা হয় দুটি নৌকা, ৪০ ফুট চরপাটা জাল ও হরিণ শিকারের বিভিন্ন সরঞ্জামাদি।
আটক শিকারীরা হলেন হেজবুল্লাহ খন্দকার, সামছুল হক, তমেজ শেখ, সবুজ শেখ, সউদ শেখ ও নাহিদ শেখ। এদের সবার বাড়ি বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার ছায়েরাবাদ গ্রামে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকালে মোবাইল ফোনে এ তথ্য নিশ্চিত করে চাঁদপাই রেঞ্জের চরাপুটিয়া ফরেস্ট অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আাসাদুজ্জামান জানান, তার নেতৃত্বে সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের অভয়ারণ্য হলদির খালে নিয়মিত টহল দিছিলেন বনরক্ষীরা। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তারা দেখতে পান, অভয়ারণ্য ঘোষিত হলদির খালে জেলেরা খালপাটা জাল পেতে মাছ ধররেছন। এসময় ৬ জেলেকে আটক করার পরে জিজ্ঞসাবাদে তারা হরিণ শিকারের কথা স্বীকার করেন। তাদের স্বীকারোক্তি মতে সুন্দরবনে তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয় পেতে রাখা ২০০ ফুট নাইলনের রশির তৈরি হরিণ শিকারের ফাঁদ, দুটি নৌকা, ৪০ ফুট চরপাটা জাল ও হরিণ শিকারের বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরো জানান, আটক ব্যক্তিরা মূলত হরিণ শিকারী। মাছ ধরার আড়ালে হরিণ শিকার করা তাদের মূল পেশা। তাদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়ের করে রবিবার বিকালে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে। বন অপরাধ দমনে নিয়মিত টহল আরো জোরদার করা হয়েছে। ##
প্রকাশক মোঃ জিল্লুর রহমান <br>
বার্তা সম্পাদক মোঃ আলমগীর রতন মন্ডল <br>
সম্পাদক মোঃ রানা ইস্কান্দার রহমান <br>
নির্বাহী সম্পাদক মোঃ আঃ রাজ্জাক সরকার <br>
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মোঃ আঃ হালিম সরকার <br>
প্রধান কার্যালয়ঃ ঢাকা মিরপুর ১২ পল্লবী থানা পল্লবী মহল্লা মোবাইল নং <br>
01859667602
Copyright © 2026 durnitirtalashteam.com. All rights reserved.