আমি ওর নিজের মুখে বলা তথ্য অনুযায়ী তিন নম্বর স্ত্রী ও আমকে বিয়ে করে এখন আমার খোঁজ খবর রাখে না।
স্টাফ রিপোর্টার
এই আইডিখানা ও'ই আমকে চালাতে দিছে।
পাঠক সমাজ ও ফেসবুক বন্ধুরা জানা উচিত ওর আসল চরিত্র। বিয়ের দুই মাস পরে আমার কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা দাবি করে যা আমি আমার আত্মীয়-স্বজনের সাথে বলার পরে তারা সংগ্রহ করে দেয়।
আমি বাচ্চা কনসেপ করলে আমাকে বাচ্চা নষ্ট করার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে।
ও আবার দুই লক্ষ টাকা দাবি করে আমার কাচে টাকা দিতে না পারলে আমার বাচ্চা নষ্ট করে ফেলার জন্য মানসিকভাবে চাপ দিতে থাকে ও শারীরিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয়ে এক সময়ে আমি বাচ্চা নষ্ট করেতে সম্মতি দেই। ওর কথা মেনে নিয়ে ওকে নিয়ে থাকতে চাই। সুস্থ না হতেই আমাকে টাকার জন্য চাপ দেয়, চলতে থাকে নির্যাতন এরপর বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। এত নির্যাতন সহ্য করার পরও আমি তাকে নিয়ে থাকতে চেয়েছি। আমি অসংখ্যবার তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি সে আমার ফোন রিসিভ করে না, আমাকে বলে মামলা দেওয়ার জন্য সমাধানের কোন কথা বলে না। আমার আত্মীয়-স্বজন পাড়া প্রতিবেশী সবার সাথে উল্টাপাল্টা আচরণ শুরু করে প্রতিনিয়ত দেখে নেয়া ও মেরে ফেলার হুমকি-ধমকি দিতে থাকে। আমি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি, এটা বুঝতে পারার পর থেকে সে গা ঢাকা দিয়ে গায়েব হয়ে গিয়েছে। ওকে ধরিয়ে দিতে সহায়তা করুন আপনারা।এই বাটপার নিয়ে আমি সংসার করতে চাই না আমি ওর বিচার চাই। আমি এতিম মানুষ আপনাদের বোন কারো মেয়ের বয়সী। এই বাটপার কে ধরিয়ে দিতে সাহায্য করুন।
ও যেখানে সেখানে সাংবাদিক পরিচয় দেয় সাংবাদিকতার নামে চাঁদাবাজি হচ্ছে ওর আসল পেশা।
ও আসলে সাংবাদিকতার স ও জানে না মূর্খ, চাপাবাজ একটা ধূর্ত প্রতারক প্রকৃতির লোক। মেয়ে পটিয়ে বিয়ে করা হচ্ছে ওর পেশা । ঐ মেয়েদের কাছ থেকে টাকা খাওয়া হচ্ছে এই বাটপার ফয়সালের নেশা, টাকা দিতে না পারলে ও ছেড়ে দেয় ওই মেয়ের সাথে আর সম্পর্ক রাখে না। নেশাখোর সব দরনের নেশা করে
প্রকাশক ও সম্পাদক, মোঃ জিল্লুর রহমান,০১৮৫৯-৬৬৭৬০২,০১৭০৭-৫০১৪১৪নি,র্বাহী সম্পাদক, মোঃ আঃ রাজ্জাক সরকার, বার্তা সম্পাদক, মোঃ রতন মন্ডল
প্রধান কার্যালয়ঃ মিরপুর ১২ ঢাকা ১২১৬,mail: jillumia87@gmail.com
Copyright © 2026 দুর্নীতির তালাশ টিম. All rights reserved.