হলুদ জ্যাকেট, দামী বাইক, ব্যাংকার--মানবাধিকার পরিচয়ের আড়াল—দক্ষিণ চট্টগ্রামে কারা চালাচ্ছে ইয়াবা সিন্ডিকেট?
নিজস্ব প্রতিবেদ:
আজ ৬ জুলাই,২৬ র্যাব-৭ চট্টগ্রামের অভিযানে পটিয়ার ডাকবাংলা মোড় এলাকায় আনুমানিক ১ লাখ পিস ইয়াবা, ৫টি মোটরসাইকেল এবং ৬ জন সন্দেহভাজন মাদক কারবারি আটক হওয়ার ঘটনায় দক্ষিণ চট্টগ্রামজুড়ে নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠেছে। প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের এই ইয়াবার চালান আবারও প্রমাণ করল—মাদক কারবার এখন সংঘবদ্ধ চক্রের নিয়ন্ত্রণে।
দীর্ঘদিন ধরে আরকান মহাসড়ক, কালুরঘাট ও নতুন ব্রিজ সড়কে একসঙ্গে ৪-৫টি দামী মোটরসাইকেলের বহর চলাচল করতে দেখা গেছে। অনেকের গায়ে একই ধরনের হলুদ জ্যাকেট, সঙ্গে দামী ব্যাগ। পরিচয় জানতে চাইলে কেউ বলতেন কক্সবাজারে ঘুরতে যাচ্ছেন, কেউ আবার অন্য অজুহাত দিতেন। কিন্তু সাম্প্রতিক অভিযানের পর সেই কথাগুলো নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
আরও উদ্বেগের বিষয়, অভিযানে উদ্ধার হওয়া কিছু পরিচয়পত্র নিয়ে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। তদন্তেই স্পষ্ট হবে সেগুলো আসল না ভুয়া, কিংবা কোনো পরিচয় অপরাধ আড়াল করতে ব্যবহার করা হয়েছে কি না।
প্রশ্ন রয়ে যায়—স্বল্প আয়ের বা বেকার কিছু যুবকের হাতে এত দামী মোটরসাইকেল, বিলাসী চলাফেরা ও নিয়মিত দূরপাল্লার যাতায়াতের অর্থের উৎস কী? এদের পেছনে কি আরও বড় কোনো মাদক নেটওয়ার্ক সক্রিয়?
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যখন মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে, তখন মোটরসাইকেলে বিভিন্ন সংগঠনের স্টিকার লাগিয়ে চলাচলকারীদের পরিচয় ও কার্যক্রমও প্রয়োজন হলে যাচাই করা উচিত। তবে কেবল স্টিকার বা পরিচয়পত্র থাকার ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী বলা যায় না; সেটি তদন্তেই নির্ধারিত হবে।
পটিয়া, বোয়ালখালী এবং পুরো আরকান মহাসড়ক এখন আরও কঠোর নজরদারির দাবি রাখে। মাদক সিন্ডিকেট যত শক্তিশালী হোক, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। সময় এসেছে মুখোশধারীদের প্রকৃত পরিচয় উদঘাটন করে তাদের আইনের আওতায় আনার।
প্রকাশক ও সম্পাদক, মোঃ জিল্লুর রহমান,০১৮৫৯-৬৬৭৬০২,০১৭০৭-৫০১৪১৪নি,র্বাহী সম্পাদক, মোঃ আঃ রাজ্জাক সরকার, বার্তা সম্পাদক, মোঃ রতন মন্ডল
প্রধান কার্যালয়ঃ মিরপুর ১২ ঢাকা ১২১৬,mail: jillumia87@gmail.com
Copyright © 2026 দুর্নীতির তালাশ টিম. All rights reserved.