পলাশবাড়ীতে রামমূর্তি স্থাপন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া ও বিতর্ক
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে প্রস্তাবিত বিশাল রামমূর্তি স্থাপনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের আলোচনা, মতামত ও অভিযোগ ছড়িয়ে পড়েছে। এসব আলোচনায় কেউ কেউ দাবি করছেন, বিষয়টি কেবল ধর্মীয় নয়; এর সঙ্গে ভূ-রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত নানা দিকও জড়িত থাকতে পারে।
একটি সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে বলা হয়েছে, গাইবান্ধা জেলা বা রংপুর বিভাগ বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা না হওয়া সত্ত্বেও পলাশবাড়ীকে বেছে নেওয়ার পেছনে কৌশলগত কারণ রয়েছে। পোস্টে দাবি করা হয়, পলাশবাড়ীর ভৌগলিক অবস্থান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয়ের মধ্যবর্তী সংযোগের দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ।
পোস্টে আরও দাবি করা হয়েছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের স্থাপনাকে কেন্দ্র করে ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের আনাগোনা বাড়ানো হতে পারে এবং এর আড়ালে নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে ভারতের নিরাপত্তা বিশ্লেষক ভরত কর্ণাডের একটি নিবন্ধেরও উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে শিলিগুড়ি করিডোর নিয়ে আলোচনা রয়েছে বলে দাবি করা হয়।
এছাড়া পোস্টে চৈতালী চক্রবর্তী ও পলাশ কান্তি নামে দুজন ব্যক্তির বক্তব্য উদ্ধৃত করে অভিযোগ করা হয়েছে যে, তারা রামমূর্তি স্থাপনের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন এবং বিরোধিতাকারীদের উদ্দেশে উসকানিমূলক মন্তব্য করেছেন।
তবে উল্লেখ্য, সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত এসব দাবি ও অভিযোগের স্বপক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা রাষ্ট্রীয় কোনো সংস্থা থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এমন কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। ফলে বিষয়গুলোকে যাচাই না হওয়া দাবি হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত।
এদিকে পলাশবাড়ীতে রামমূর্তি স্থাপনকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ, বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক, মোঃ জিল্লুর রহমান,০১৮৫৯-৬৬৭৬০২,০১৭০৭-৫০১৪১৪নি,র্বাহী সম্পাদক, মোঃ আঃ রাজ্জাক সরকার, বার্তা সম্পাদক, মোঃ রতন মন্ডল
প্রধান কার্যালয়ঃ মিরপুর ১২ ঢাকা ১২১৬,mail: jillumia87@gmail.com
Copyright © 2026 দুর্নীতির তালাশ টিম. All rights reserved.