গাইবান্ধায় দুর্নীতির শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে রঘুনাথপুর এমএ উচ্চ বিদ্যালয় রক্ষার জন্য আবেদন,
পাঠঃ ২,
গাইবান্ধা সদর রঘুনাথপুর এমএ উচ্চ বিদ্যালয় এর
মরহুম আব্দুল লতিফ মন্ডল, প্রধান শিক্ষক রঘুনাথপুর এম এ উচ্চবিদ্যালয়ের অবসরে যাওয়ার পরে সেই সময়ে সভাপতি ছিলেন, সাবেক গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক মন্ডল, প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিলেন, প্রধান শিক্ষক হলেন মোজাম্মেল হক মন্ডলের গিরিপের লোক শামসুল ইসলাম ফুল সেই সময় অনেক ভালো টিচারও পরীক্ষা দিয়েছিল কিন্তু দুঃখের বিষয় টাকার বিনিময়ে এবং এই শামসুল মাস্টার আওয়ামী লীগ করতেন বিদায় তাহাকে নিয়োগ দেওয়া হলো, শুরু হলো স্কুল লুটপাট এবং ধ্বংস হওয়ার প্রথম ধাপ, এই শামসুল ইসলাম ফুল মাস্টারের ছেলে একজন নেশাখোর, স্কুলের দরজা এবং কেচি গেট ভেঙ্গে চুরি করলেন স্কুলের পাঁচটি কম্পিউটার, দোষ পড়লেন কম্পিউটার টিচার এবং দপ্তরিদের উপরে, মামলা হল শিক্ষকদের গাইবান্ধা থানায় নিয়ে যাওয়া হল সাক্ষী হল, সেই সময় এসপির দায়িত্ব ছিল রফিকুল ইসলাম নামে একজন লোক ওই ভদ্রলোক কম্পিউটার টিচারের নিকট হতে একটি কম্পিউটার এবং প্রধান শিক্ষকের নিকটে হইতে একটি কম্পিউটার কিনে নিয়ে এবং তিনি নিজেও একটি কম্পিউটার কিনে নিয়ে মোট তিনটি কম্পিউটারে স্কুলে সেট করেন, কিছুদিন যেতে না যেতেই ওই কম্পিউটার তিনটি প্রধান শিক্ষক শামসুল ইসলাম তাহার নিজ বাড়িতে নিয়ে যান, তাহার নিজ বাড়িতে থাকা অবস্থায় তিনি অবসরে চলে যান কম্পিউটার বুঝে নিতে গেলে দেখা যায় কম্পিউটারের উপরের খোলস আছে কিন্তু ভিতরের কোন পার্স
নেই ওই অবস্থায় তৎকালীন সভাপতি কম্পিউটার গুলো জমা নেন আজও সেই কম্পিউটার গুলো অকেজ অবস্থায় পড়ে আছে, আবার শুরু হলো নতুন কমিটি কমিটিতে আসলেন সাবেক বল্লম ঝাড় ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, শুরু হলো নিয়োগ বাণিজ্য, এই জাহাঙ্গীর আলম আবার সেই সময়ের সাবেক এমপি মাহবুব আরা গিনির লোক, অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ দিলেন, সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ লিচু মিয়াকে, হেড কেলারক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান শুভকে, বর্তমান ইয়াবার ডিলার বল্লমঝাড় ইউনিয়ন ও সাবেক আওয়ামী লীগ গাইবান্ধা জেলার সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক মন্ডলের নাতি, নিয়োগ দিয়েছেন একজন আয়াকে নিয়োগ দিয়েছেন একজন দপ্তরিকে সবকিছু করেছেন অর্থের বিনিময়ে, এর ভাগ নিয়েছেন মাহবুবা আরা গিনী এমপি মোজাম্মেল হক মন্ডল এবং সভাপতি নিজেও অনিয়ম করে তৎকালীন সভাপতি স্কুলের নামে পুকুরটি লিজ দিয়েছেন ৯ বছরের জন্য নয় লক্ষ টাকার বিনিময়ে নিয়েছেন সাবেক এমপি মাহবুব আরা বেগম গিনির ভাতিজা এই নয় লক্ষ টাকা কোথায় এবং কি অবস্থায় আছে এবং কার পকেটে আছে একমাত্র আল্লাহই জানে, এই অরাজকতা দেখার পর স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী কমতে থাকে কমতে কমতে আজ বর্তমানে শূন্যের কোটা এসে নেমেছে , এই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ লিচু মিয়া সেই সময় আওয়ামী লীগের ক্ষমতা স্কুলে দেখাইতো, আওয়ামী লীগ সরকার দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর বর্তমান সে, বাংলাদেশ জামাতে ইসলামের ক্ষমতা দেখাচ্ছে, স্কুলে নাই ছাত্র-ছাত্রী নেই লেখাপড়া খাচ্ছে সরকারের বেতন লুটেপুটে খাচ্ছে স্কুলের তহবিল থেকে আয়ের টাকা কে নেবে এর হিসাব কে দেখবে স্কুল আজ শিক্ষার মান এই স্কুলের কোন জায়গায় যাইয়া দাঁড়িয়েছে এলাকার জনগণ কেউ জানে না, স্কুল শুরু হয় প্রতিটি শিক্ষকের বাজার থেকে ছুটি হয় বাজার থেকে প্রধান শিক্ষক মাঝখান থেকে চলে যায় বাড়িতে হেড কেলার্ক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান শুভ মোটরসাইকেল দিয়ে ইয়াবা পাচার করে বেড়াচ্ছে, তার নিজের নামটাও সে লিখতে পারে না অথচ প্রতিমাস বেতন নিয়ে খাচ্ছে, বর্তমানে এই সুবোধ দুর্নীতি বললাম যার ইউনিয়ন জুড়ে রয়েছে, স্কুলে একটি স্কুলের নামে মার্কেট আছে কাজল ঢোপ ফুল ভাটাতে জমি আছে এগুলো সব লিস্ট দেওয়া আছে কে নিচ্ছে টাকা কোথায় যাচ্ছে টাকা কে খাচ্ছে এই টাকা কার পকেটে যাচ্ছে আপনারা চিন্তা করুন ইউনিয়নের সকল স্তরের জ্ঞানীগুনির কাছে আমার আবেদন প্রতিষ্ঠানটি রক্ষা করুন,
প্রকাশক ও সম্পাদক, মোঃ জিল্লুর রহমান,০১৮৫৯-৬৬৭৬০২,০১৭০৭-৫০১৪১৪নি,র্বাহী সম্পাদক, মোঃ আঃ রাজ্জাক সরকার, বার্তা সম্পাদক, মোঃ রতন মন্ডল
প্রধান কার্যালয়ঃ মিরপুর ১২ ঢাকা ১২১৬,mail: jillumia87@gmail.com
Copyright © 2026 দুর্নীতির তালাশ টিম. All rights reserved.