সুকমল চৌধুরী
পলাশবাড়ী হিন্দু খিস্টান বৈদ্ধ কল্যাণফন্ট এর সভাপতি।
কে এই হরিদাস হরিদাস কে নিয়ে দুটি কথা
দয়া করে সকলে পড়বেন আজ থেকে ১৬ বছর আগে দেনাদার গ্রস্ত হয়ে অর্থনৈতিক অভাবের না খেয়ে না পড়ে কমরপুরের পাশে গ্রাম নয়াপাড়া থেকে হারিয়ে যাওয়া এই হরিদাস ১৬ বছর পর ফিরে এসে সনাতনীদের জন্য বাংলাদেশের মধ্যে অনেক বড় বড় মন্দিরে মতো একটি মন্দির নির্মাণ করছেন তাতে করে কিছু সেকুলার এবং কিছু সুবিধাবাদী হিন্দুদের গা জ্বালা করছে কিছু সুবিধাবাদী এবং সেগুলারদের ব্যবসায় অনেক আঘাত লেগেছে বিধায় নানান ধরনের কুকুর লেলিয়ে দিয়ে মন্দিরের কাছে বাধা গ্রস্থ করছেন
দূনীতির টাকাঃ-
দূনীতি বিষয়ে দুটি কথা অনেকে বলছেন মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে টাকা নিয়েছেন চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছেন এবং আওয়ামী লীগ এর এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য টাকা নিয়েছেন এবং ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য টাকা নিয়েছেন আমার ব্যক্তিগত অভিমতে আমি ধরেই নিলাম হ্যাঁ টাকা নিয়েছেন কিন্তু প্রশাসনিক এত গোয়েন্দা সংস্থা এন এস চাই ডি এস পি এবং আমাদের পলাশবাড়ীতে অনেক বড় বড় জানা লিস্ট তারা কেন এখনো সঠিক তথ্য বের করতে পারলো না তারমানে সে কোন অবৈধ লেনদেন করেনি মানুষের সঙ্গে মানুষের লেনদেন থাকতে পারে সেখানে হয়তো হরিদাস দাদার সঙ্গে কারো কোন লেনদেন হয়েছে সেটা ইস্যু করে কিছু কিছু সাংবাদিক সুবিধাভোগী তারা তাদের স্বার্থ হাসিল করতে চাই
ভারতের এজেন্ট ঃ-
হরিদাস দাদা যে মন্দিরটি নির্মাণ করিতেছেন সেটা কিছুটা ভারতের আঙ্গিকে তৈরি করছেন তৈরি করাটাই স্বাভাবিক কারণ সনাতনীদের সবচেয়ে বেশি তীর্থ ক্ষেত্র ভারতে হে আঙ্গিকে বাংলাদেশের মন্দির নির্মাণ করবে এই নির্মাণ করাতে যদি কেউ ভারতের এজেন্ট হয় কিংবা ট্যাগ লাগানো হয় সেটা যারা ট্যাগ লাগাবে তাদের সফলতা এখানে হরিদাস দাদার কোন আসে যায় না
বেড়ে ওঠাঃ-
হরিদাস দাদা যখন মন্দির নির্মাণ করেন তখন তিনি ক্লিয়ার করেছেন তারা আয়ের উৎস কি সে বলেছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তিনি একাই চার বছর খাবার দিয়েছেন তাতে করে তার দৈনিক ইনকাম এগারো লক্ষ টাকার মতো তাহলে চার বছরে টাকাটা কত হবে এটা একটু আপনারা হিসাব করেন মানুষ কখন কিভাবে বেড়ে উঠবে বলাটা অসম্ভব কিছু কিছু সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত মানুষ বেড়ে ওঠে
উদাহরণস্বরূপ আমি বলতে পারি ভারতের নরেন্দ্র মোদি ছিলেন একজন চা বিক্রেতা সেখান থেকে আজকে একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী তাকে নিয়ে কেউ লেখেন না কেন আমেরিকার বুশ সে তো ছিলেন একজন মানুষের বাড়িতে কাজ করে তার ছেলে তাকে নিয়ে কেউ লেখেন না কেন
কপি তারই ভক্ত সুকুমার
প্রকাশক ও সম্পাদক, মোঃ জিল্লুর রহমান,০১৮৫৯-৬৬৭৬০২,০১৭০৭-৫০১৪১৪নি,র্বাহী সম্পাদক, মোঃ আঃ রাজ্জাক সরকার, বার্তা সম্পাদক, মোঃ রতন মন্ডল
প্রধান কার্যালয়ঃ মিরপুর ১২ ঢাকা ১২১৬,mail: jillumia87@gmail.com
Copyright © 2026 দুর্নীতির তালাশ টিম. All rights reserved.